খোশখবর ডেস্কঃ মানুষের সঙ্গে ওরাংওটাংয়ের অনেক মিল।ওরাংওটাংকে অনেক সময় ‘বনের মানুষ’ বলা হয়। ওরাংওটাং তাদের বুদ্ধিমত্তা, আচরণ ও স্বতন্ত্র জীবনযাপনের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়। মানুষের সঙ্গে ওরাংওটাংয়ের প্রায় ৯৭ শতাংশ ডিএনএ মিল রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
ওরাংওটাংকে অনেক সময় ‘বনের মানুষ’ বলা হয়। পাশাপাশি তারা বনের গুরুত্বপূর্ণ বাস্তুতন্ত্রের অংশ। ফল খাওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় বীজ ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তারা নতুন গাছ জন্মাতে এবং বন পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই তাদেরকে বনের ‘মালী’ও বলা হয়।
গুগলে আরও খোশখবর
ওরাংওটাং বর্তমানে বিলুপ্তির গুরুতর বিপদের মধ্যে রয়েছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো বন ধ্বংস করে ফেলা, অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্য এবং শিকার। ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও ও সুমাত্রার রেনফরেস্টে ওরাংওটাংয়ের প্রাকৃতিক আবাসস্থল ক্রমেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে পাম অয়েল চাষের জন্য বনভূমি পরিষ্কার করার ফলে তাদের বাসস্থান দ্রুত কমে যাচ্ছে।
ওরাংওটাং সংরক্ষণ, তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষা এবং এই অসাধারণ প্রাণীদের সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেই ফি বছর ১৯ অগস্ট পালিত হয় আন্তর্জাতিক ওরাংওটাং দিবস (International Orangutan Day)। এই দিবস তাই আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ছোট ছোট সচেতন পদক্ষেপও বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]


0 মন্তব্যসমূহ