একনজরে

10/recent/ticker-posts

February 2026 MiracleIn Claim ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কোনও অলৌকিক মাস? গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না


খোশখবর ডেস্কঃ আপনি কী জানেন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের আলাদা এক মাহাত্ম্য আছে? এই ফেব্রুয়ারি নাকি একটা বিরল মাস। কারণ এই মাসে আছে চারটি রবিবার, চারটি সোমবার, চারটি মঙ্গলবার। এমন মাস নাকি এক বিরল ক্যালেন্ডারের ঘটনা—যা ৮২৩ বছরে একবার ঘটে।

গুগলে আরও 'খোশখবর'


 এ পর্যন্ত বলা কথাগুলো সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন গ্রুপ চ্যাটে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ‘ভাগ্য’ বা ‘অলৌকিক সুফল’ পাওয়ার আশায় এমন বার্তাটি ফরোয়ার্ড করার অনুরোধও করা হয়েছে। কিছু পোস্টে আবার দাবি করা হয়েছে, ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ নাকি ২৫ ঘণ্টার একটি দিনও থাকবে। তথাকথিত এই মাসকে ‘মিরাকেলইন’ মাস বলে আখ্যাও দেওয়া হয়েছে।


তবে এই দাবির কোনও ভিত্তি নেই। সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতেই ক্যালেন্ডারের সাধারণ নিয়মকে ভুলভাবে বুঝিয়ে বোকা বানানো হচ্ছে। সংবাদ সংস্থার ফ্যাক্ট চেককে তুলে ধরে সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি তাদের সাইটে লিখেছে এই সমস্ত দাবি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত।

ঢুকে পড়ুন এক আশ্চর্য কোটেশন সাইটে 

আসল অঙ্কটা হল ২০২৬ সাল কোনো লিপ ইয়ার নয়। তাই ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ থাকবে স্বাভাবিকভাবেই ২৮ দিন। ২৮ দিন মানে ঠিক চার সপ্তাহ। যেহেতু এক সপ্তাহে সাত দিন থাকে, তাই চার সপ্তাহে সপ্তাহের প্রতিটি দিনই চারবার করে আসে। এর মধ্যে মিরাকেল বা অলৌকিক কিছু নেই।


পাশাপাশি এতে অস্বাভাবিক বা বিরলও কিছু নেই। ক্যালেন্ডার বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ব্যাপার নিয়মিতভাবেই ঘটে এবং এর জন্য কোনো বিশেষ জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বা ক্যালেন্ডারগত মিরাকেল প্রয়োজন হয় না। ফেব্রুয়ারি মাস নিয়ে ভুয়ো খবর বা অলৌকিক তত্ত্ব এর আগে ২০২২ সালেও ছড়ানো হয়েছিল। 

তবে বলাই যায় ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কোনো বিরল বা শতাব্দীতে একবার ঘটেছে এমন মাস নয়। এটি একটি একেবারেই সাধারণ, লিপ ইয়ার নয়—এমন ফেব্রুয়ারি মাস। ২৫ ঘণ্টার দিনের দাবিও সম্পূর্ণ মিথ্যা। পাশাপাশি ‘মিরাকেল ইন’ শব্দটিরও কোনো বৈজ্ঞানিক বা ক্যালেন্ডার সংক্রান্ত স্বীকৃত অর্থ নেই। কাজেই বিভ্রান্ত হবেন না, গুজবে কান দেবেন না।

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code