খোশখবর ডেস্কঃ এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বে মহাকাশ গবেষণায় প্রথম সারিতে থাকা নাম হল ভারত। তবে শুধু মহাকাশ নয়, জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রেও বারবার নানা সাফল্য এনে দিয়েছেন ভারতের বিজ্ঞানীরা। লাদাখের হ্যানলে বিশ্বের সেরা মহাকাশ পর্যবেক্ষণ স্থলগুলির অন্যতম। উচ্চতা ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে এখানে সারা বছরই টেলিস্কোপে চোখ রাখেন বিজ্ঞানীরা।
গুগলে আরও 'খোশখবর'
৪,০০০ মিটারেরও বেশি উচ্চতায় অবস্থিত হ্যানলে অঞ্চল অত্যন্ত কম আলো দূষণের এলাকা। এখানকার আকাশ স্বচ্ছ ও অন্ধকার, যা জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের জন্য প্রায় আদর্শ। এই এলাকায় রয়েছে ভারতের প্রথম হ্যানলে ডার্ক স্কাই রিজার্ভ। যেখানে রাতের আকাশের স্বাভাবিক অন্ধকার বজায় রাখতে এখানে আছে কঠোর আলোক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।
লাদাখে বর্তমানে একাধিক ছোট-বড় টেলিস্কোপ চালু রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হ্যানলে ভ্যালিতে অবস্থিত ইন্ডিয়ান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরি। ২০০১ সাল থেকে হ্যানলেতে কাজ করে চলেছে হিমালয়ান চন্দ্র টেলিস্কোপ বা HCT।
সেই লাদাখেই এবার বসতে চলেছে দুটি বৃহৎ টেলিস্কোপ। এবারের বাজেটে জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রে বড় ঘোষণা করেছে কেন্দ্র সরকার। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের তথ্য অনুযায়ী লাদাখের মেরাক অঞ্চলে, প্যাংগং সো হ্রদের কাছে বসতে চলেছে ন্যাশনাল লার্জ সোলার টেলিস্কোপ বা NLST। পাশাপাশি হ্যানলে এলাকায় বসানো হবে ন্যাশনাল লার্জ অপটিক্যাল–ইনফ্রারেড টেলিস্কোপ বা NLOT। এই দুটি টেলিস্কোপই পরিচালনা করবে বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্স।
ক্লিক করে ঢুকে পড়ুন ইউটিউবে 'খোশখবর'- এর দুনিয়ায়
বলা হচ্ছে সূর্য নিয়ে গবেষণায় গেম-চেঞ্জার হতে চলেছে ন্যাশনাল লার্জ সোলার টেলিস্কোপ। ভারতের প্রথম সৌর মহাকাশ মিশন আদিত্য-L1-এর সঙ্গে সমন্বয় রেখে NLST থেকে প্রাপ্ত তথ্য ভবিষ্যতের স্পেস ওয়েদার পূর্বাভাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। অন্যদিকে ভারতে বসেই মহাবিশ্বের গঠন,এক্সোপ্ল্যানেট,গ্যালাক্সির বিবর্তন সহ ইউনিভার্সের গভীর রহস্য উন্মোচনে কাজ করবে ১০-মিটার শ্রেণির ন্যাশনাল লার্জ অপটিক্যাল–ইনফ্রারেড টেলিস্কোপ। গোটা ব্রম্ভান্ডে নজর রাখতে এই দুই টেলিস্কোপ তৈরির পাশাপাশি উন্নত করা হবে হিমালয়ান চন্দ্র টেলিস্কোপকেও।
বলা হচ্ছে সূর্য নিয়ে গবেষণায় গেম-চেঞ্জার হতে চলেছে ন্যাশনাল লার্জ সোলার টেলিস্কোপ। ভারতের প্রথম সৌর মহাকাশ মিশন আদিত্য-L1-এর সঙ্গে সমন্বয় রেখে NLST থেকে প্রাপ্ত তথ্য ভবিষ্যতের স্পেস ওয়েদার পূর্বাভাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। অন্যদিকে ভারতে বসেই মহাবিশ্বের গঠন,এক্সোপ্ল্যানেট,গ্যালাক্সির বিবর্তন সহ ইউনিভার্সের গভীর রহস্য উন্মোচনে কাজ করবে ১০-মিটার শ্রেণির ন্যাশনাল লার্জ অপটিক্যাল–ইনফ্রারেড টেলিস্কোপ। গোটা ব্রম্ভান্ডে নজর রাখতে এই দুই টেলিস্কোপ তৈরির পাশাপাশি উন্নত করা হবে হিমালয়ান চন্দ্র টেলিস্কোপকেও।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

.png)
0 মন্তব্যসমূহ