খোশখবর ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সঙ্গে বাংলা ভাষার যোগ গভীর। এই দিনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে মাতৃভাষা বাংলার জন্য বাঙালির অনেক লড়াই, আত্মত্যাগ। ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য আন্দোলনরত বাঙালি ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে অনেক তরুণ ছাত্র শহীদ হন। এই দিনটি ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। ভাষা সংরক্ষণ ও সুরক্ষার জন্য বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরিতে এই দিবস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০২৬ সালে এই দিবসের প্রতিপাদ্যঃ বহুভাষিক শিক্ষায় যুবসমাজের কণ্ঠ।
এই বিশাল পৃথিবীতে চালু ভাষার সংখ্যা কম নয়। এই সব ভাষা কী হারিয়ে যাচ্ছে? বলা হচ্ছে এই সময়ে ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে ভাষাগত বৈচিত্র্যকে আরও দৃশ্যমান ও মূল্যবান করে তুলছে আজকের প্রজন্ম। এই সব উদ্যোগ ভাষা, পরিচয়, শিক্ষা, মানসিক সুস্থতা এবং সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের গভীর সম্পর্ককে পুনরায় প্রতিষ্ঠা করছে।
তবে ভাষা নিয়ে চ্যালেঞ্জ এখনও রয়ে গেছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের তথ্য বিশ্বজুড়ে প্রায় ৪০% শিক্ষার্থী এখনও এমন ভাষায় শিক্ষা লাভের সুযোগ পায় না, যা তারা সবচেয়ে ভালো বোঝে। এই বৈষম্য দূর করতে প্রয়োজন এমন শিক্ষানীতি ও চর্চা যেখানে বহু ভাষার শিক্ষা কার্যকর হবে।
Youth are key to shaping the future of languages.
— UNESCO 🏛️ #Education #Sciences #Culture 🇺🇳 (@UNESCO) February 20, 2026
They are reclaiming, using and passing on their mother languages.
On International #MotherLanguageDay, @UNESCO celebrates the power of young people in keeping languages alive across generations.
🔗 https://t.co/CGPCExVM6G pic.twitter.com/V96arBVFPa
তাই আজ বিশ্বজুড়ে এই ভাবনা বাড়ছে যে সঠিক ভাষা আসলে উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, আন্তঃসাংস্কৃতিক আলোচনা এবং সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অপরিহার্য। ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়—এটি মানবসভ্যতার জ্ঞান, সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের অন্যতম স্তম্ভ। আর এখানেই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব। ভাষা সংরক্ষণ ও সুরক্ষার জন্য বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরিতে এই দিবস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ