খোশখবর ডেস্কঃ আর রাস্তার ট্যাক্সি নয়, যানজটে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার দিনও সম্ভবত শেষ হতে চলেছে। এবার ভারতে চলতে শুরু করবে এয়ার ট্যাক্সি। আর এই ব্যবস্থা চালু হলে রাজধানী দিল্লির মত ব্যস্ত রাজপথে ১০০ কিলোমিটারের যাত্রাপথ কয়েক ঘণ্টা নয়, মাত্র ৩০ মিনিটেই পেরিয়ে যেতে পারবেন আপনি।
গুগলে আরও 'খোশখবর'
দেশের বড় শহরগুলিতে যানজট ও পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা কাটাতে এয়ার ট্যাক্সি চালুর প্রস্তাব করেছে সিআইআই। কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই)-এর সাম্প্রতিক রিপোর্টের তথ্য তুলে ধরে এমন খবর প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ডট কম।
সিআইআই রিপোর্টে বলা হয়েছে যে গুরগাঁও, কানাট প্লেস ও জেওয়ার বিমানবন্দরকে যুক্ত করে একটি ফ্ল্যাগশিপ পাইলট করিডর গড়ে তুলতে পারলে ভারত প্রচলিত পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে Advanced Air Mobility–তে বিশ্বনেতৃত্বের পথে এগোতে পারে। শূন্য–নিঃসরণ eVTOL প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি একদিকে যেমন যাত্রাসময় ঘণ্টা থেকে মিনিটে নামিয়ে আনবে, তেমনই Net-Zero 2070 লক্ষ্যের দিকেও দেশকে এগিয়ে নেবে। কারণ এয়ার ট্যাক্সি হবে শূন্য–নিঃসরণ প্রযুক্তির।
আসলে সমীক্ষা অনুযায়ী Advanced Air Mobility দ্রুতই আগামী প্রজন্মের নগর পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা হয়ে উঠছে।বিশ্বজুড়ে বড় শহরগুলিই এই ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছে।
সিআইআই রিপোর্টে বলা হয়েছে গুরগাঁও, কানাট প্লেস এবং নয়ডার জেওয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে যুক্ত করে একটি ৬৫–৭৫ কিলোমিটারের পাইলট করিডর তৈরি করা গেলে এয়ার ট্যাক্সি পরিষেবা চালু করা সম্ভব। এর ফলে ঘণ্টার পথ কয়েক মিনিটে পেরোনো যাবে এবং নগর পরিবহনে বড় পরিবর্তন আসতে পারে।
সিআইআই জানিয়েছে, গুরগাঁওয়ের Cyber Hub থেকে কানাট প্লেসের সরলরেখায় দূরত্ব প্রায় ২৭–৩০ কিলোমিটার। তবে বাস্তব রুট পরিকল্পনায় একাধিক নিষিদ্ধ আকাশসীমা এড়াতে হবে, যেমন— ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (IGIA), দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট, লুটিয়েন্স জোন (রাষ্ট্রপতি ভবন, সংসদ ভবন, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট)
মজার বিষয় হল ৪ থেকে ৬ জনের বসার এয়ার ট্যাক্সি বাড়ির ছাদে নামতে পারলেও তা DGCA অনুমোদিত নয়। সিআইআই রিপোর্টে দিল্লি, মুম্বই ও বেঙ্গালুরুর মতো শহরে ছাদভিত্তিক ভার্টিপোর্ট করার কথাও বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে অনুমোদন মিললে এই আকাশপথই হতে পারে আগামী দিনের পরিবহনের নতুন দিশা।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]
.png)
.jpg)
0 মন্তব্যসমূহ