খোশখবর ডেস্কঃ গত ডিসেম্বরেই ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য নজিরবিহীনভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এই পদক্ষেপ নিয়ে বিশ্বজুড়েই শুরু হয়েছে চর্চা। অনেক দেশই এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।
তবে অস্ট্রেলিয়ার পর এবার ইউরোপসহ বিশ্বের আরও বহু দেশ নিজেদের মতো করে একই ধরনের বিধিনিষেধ আনার পথে হাঁটছে বলে এক তথ্য হাজির করেছে স্ট্যাটিসটা ডট কম। এই ওয়েবসাইটের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ফেব্রুয়ারির শুরু পর্যন্ত ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। ব্রিটেন ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করার লক্ষ্য নিয়েছে, অন্যদিকে ফ্রান্সের প্রস্তাবিত আইন ১৫ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
স্ট্যাটিসটা তথ্য অনুযায়ী আরও ছটি দেশে রাষ্ট্রনেতারা কিশোরদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আনার উদ্যোগ ঘোষণা করেছেন। যেমন ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড ও স্পেন ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার থেকে বাদ রাখার পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে গ্রিস ১৫ বছরের কম বয়সীদের এবং অস্ট্রিয়া ১৪ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে রাখার কথা ভাবছে।
ইতিমধ্যেই ফ্রান্স, ইতালি এবং ব্রাজিলের মতো দেশে নির্দিষ্ট বয়সসীমার শিশুরা অভিভাবকের সম্মতিতে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে পারে। পাশাপাশি পর্তুগাল ও ডেনমার্ক অভিভাবকের সম্মতির সুযোগ রেখে ‘ব্যাক ডোর’ খোলা রাখতে পারে বলে জানা গেছে।
অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব নিয়ে ক্রমেই উদ্বেগ বাড়ছে। সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি যে কোনো বয়সেই হলেও তা কিশোর-কিশোরী বা টিন এজদের জন্য এটি বেশি ক্ষতিকর বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
অস্ট্রেলিয়ার মত বিভিন্ন দেশ নানাভাবে নিষেধাজ্ঞার পথে হাঁটায় সচেতন হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার সংস্থাগুলোও। ইনস্টাগ্রাম ইতিমধ্যেই ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডায় এই ফিচার চালু করেছে। সেখানে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী ব্যবহারকারীরা অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিশেষ সীমাবদ্ধ ‘রেস্ট্রিক্টেড মোড’ বন্ধ করতে পারে না। ইউরোপীয় ইউনিয়নে ২০১৮ সাল থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ব্যক্তিগতকৃত বিজ্ঞাপন ব্যবহারের ওপর অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণও কার্যকর করা আছে।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]


0 মন্তব্যসমূহ