একনজরে

10/recent/ticker-posts

Pocha Bhadra Story ভাদ্র মাসে গরমে হাঁসফাঁস দশা হয় কেন? ‘পচা ভাদ্র’ কেন বলে?

 

খোশখবর ডেস্কঃ অনেকের কাছেই ভাদ্র মাস এক বিরক্তিকর ব্যাপার। বেশ কিছু উৎসব অনুষ্ঠান থাকলেও অসহনীয় ভ্যাপসা গরম ভাদ্র মাসের চরিত্রে যেন একটা স্থায়ী কালি লেপে দিয়েছে। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী ভাদ্র সাধারণত আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যের সময়কাল। প্রায় গোটা মাস জুড়ে ভ্যাপসা গরম, অতিরিক্ত আর্দ্রতা, বৃষ্টি-বৃষ্টির ভাব এবং ঘাম-ধরা আবহাওয়া বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। অনেকেই এই সময়টাকে বলে ‘পচা ভাদ্র’ ।


তবে ‘পচা ভাদ্র’ আসলে বাংলার লোকপ্রচলিত শব্দ। দিনের পর দিন ভ্যাপসা অবস্থা, বৃষ্টি ,ঘাম-ধরা আবহাওয়া বিরক্তিকর পরিস্থিতিই এই শব্দ ব্যবহারের কারণ বলে মনে করা হয়। যদিও এই সময় তাল পাকার সময়। অতিরিক্ত গরমে খাবার তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যাওয়া বা পচে যাওয়া গ্রামবাংলার নিত্য ব্যাপার। পাশাপাশি পান্তা ভাতের উৎসব তো আছেই।

গুগলে আরও  খোশখবর 


কিন্তু ভাদ্র মাসে এরকম হাঁসফাঁস দশা হয় কেন? কী ব্যাখ্যা আছে আবহাওয়া বিজ্ঞানে? আসলে বাংলায় ভাদ্রমাসের গরম প্রাচীন কাল থেকেই চর্চিত। এর জন্য এই বর্ষার শেষভাগের আবহাওয়া, বাতাসে অতিরিক্ত জলীয়বাষ্প এবং কখনও বৃষ্টি হীন সূর্যের তীব্র তাপ দায়ী।


কয়েকটি বিষয় এই সময়ে একসঙ্গে ঘটে। যেমন বাতাসে জলীয়বাষ্প খুব বেশি থাকে। তাই ঘাম সহজে শুকোতে পারে না। বৃষ্টি থেমে সূর্য উঠলে মাটি ও জলাশয় থেকে প্রচুর জলীয়বাষ্প বাতাসে মিশে যায়। আর এর ফলে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় শরীরের ঘাম বাতাস টেনে নিতে পারে না। ঘাম না শুকোনোয় শরীর ঠান্ডা হয় না। গরমটা অসহ্য ও ভ্যাপসা মনে হয়। তাই ভাদ্রের গরম আসলে থার্মোমিটারের তাপমাত্রায় নয়, অনেক সময় বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠের শুকনো গরমের চেয়েও অসহনীয় মনে হয়।


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code