একনজরে

10/recent/ticker-posts

India and 38 time zones প্রথম নতুন বছর হয় কোথায়? জানুন টাইম জোনের গল্প


খোশখবর ডেস্কঃ গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ইংরেজি নতুন বছর মানেই আতশবাজি, উল্লাস আর নতুন করে দিন শুরু করার অঙ্গীকার বা রেজলিউশন। কিন্তু আপনি কী জানেন একই সময়ে গোটা বিশ্বে নতুন বছর আসে না? পৃথিবীর বিভিন্ন টাইম জোনের কারণে নতুন বছর ধাপে ধাপে এক দেশ থেকে আরেক দেশে পৌঁছয়। অর্থাৎ অনেকটা সেই একটা বিমানের এক দেশ থেকে আরেক দেশে পৌছনোর মত।

৩৮টি ভিন্ন টাইম জোনের তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন দেশে আলাদা আলাদা সময়ে নতুন বছর উদযাপন হয়। টাইম এন্ড ডেট ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী কোঅর্ডিনেটেড ইউনিভার্সাল টাইম বা ইউটিসি ব্যবধানের কারণে পৃথিবীতে প্রায় ২৬ ঘণ্টা ধরে নতুন বছর উদযাপন চলে। অর্থাৎ, এক জায়গায় যখন নতুন বছর শুরু হচ্ছে, অন্য জায়গায় তখনও পুরনো বছর শেষ হয়নি।

গুগলে আরও খোশখবর 


এখন প্রশ্ন হল পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে আগে নতুন বছর পায় কারা? হিসেব মত বিশ্বে প্রথম নতুন বছর উদযাপিত হয় প্রশান্ত মহাসাগরের ছোট দ্বীপ কিরিটিমাটি (Kiritimati)-তে। এখানকার টাইম জোন যা পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে। তা হল UTC +14। এখানে যখন রাত ১২টা বাজে, তখন বিশ্বের অনেক দেশে আগের দিনই চলছে।

ধাপে ধাপে নতুন বছর পায় অন্য দেশগুলো । যেমন কিরিটিমাটির পর পর্যায়ক্রমে নতুন বছর পায় নিউজিল্যান্ড, ফিজি, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, চিন ও ভারত।


ভারতে কখন নতুন বছর আসে? ভারত UTC +5:30 টাইম জোনে অবস্থিত। ফলে ভারতের নতুন বছর আসে কিরিটিমাটির প্রায় ৮ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পরে। নিউজিল্যান্ডের প্রায় ৬ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পরে। তাই পূর্ব দিকের অনেক দেশ নতুন বছর উদযাপন করে ফেললেও, ভারত তখনও অপেক্ষায় থাকে মধ্যরাত বা ১২টা বাজার জন্য।

আবার ভারতের পর নতুন বছর উদযাপন করে ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা। অর্থাৎ এভাবে একে একে নতুন বছর ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্বে। আর পৃথিবীর বুকে সবার শেষে নতুন বছর আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেকার দ্বীপ এবং হাওল্যান্ড দ্বীপে । এই অঞ্চলগুলি UTC –12 টাইম জোনে পড়ে।

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code