কিন্তু প্রশ্ন হল নতুন বছর উদযাপনে গোটা পৃথিবীজুড়ে একটা দিনে জ্বলে ওঠা আতশবাজি আসে কোথা থেকে? কারা বানায় এইসব আলোর ফুলঝুড়ি? বোঝাই যায় আমাদের দেশে কালিপুজো বা দীপাবলির সময়ে যে পরিমাণ আতশবাজি জ্বালানো হয় তা আকারে প্রকারে বিশ্বজুড়ে বর্ষবরণের কাছে কিছুই নয়।
গুগলে আরও খোশখবর
তথ্য অনুযায়ী এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বে আতশবাজি শিল্পে একাধিপত্য চিনের।বিশ্বের সবচেয়ে বড় আতশবাজি উৎপাদক ও রপ্তানিকারক এশিয়ার এই দেশ। পৃথিবীজুড়ে ব্যবহৃত আতশবাজির প্রায় ৯০ শতাংশ চিন থেকে আসে।
ফায়ারওয়ার্কস নিয়ে কাজ করা বিশ্ববিখ্যাত সংস্থা টোটাল প্রায়োর তথ্য চিনে আতশবাজির ইতিহাস শতাব্দীপ্রাচীন। বর্তমানে চিনে আতশবাজি শিল্পে লক্ষ লক্ষ মানুষ কাজ করেন, দেশের বিভিন্ন প্রদেশে ছড়িয়ে রয়েছে এই শিল্প। এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত উৎপাদন কেন্দ্র হলো হুনান প্রদেশের লিউইয়াং শহর।
নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশেই সরবরাহ হয় চিনের আতশবাজি। বলা হচ্ছে চিনের আতশবাজি শিল্প শুধু বাণিজ্য নয়, বরং বিশ্ব সংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠেছে। তবে আতশবাজি তৈরিতে চিনের পরেই আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ার স্থান।
বিশ্বজুড়ে আতশবাজি শিল্প দ্রুত বাড়ছে। বিবিসির হিসেব ২০২৪ সালে এই বাজারের আর্থিক মূল্য ছিল প্রায় ২.৬৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার । ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩২ সালের মধ্যে এই বাজারের আকার বেড়ে দাঁড়াবে ৩.৬৫ বিলিয়ন ডলার।
তবে নানা রঙের আলোকমালায় গাঁথা রঙিন এইসব আতশবাজি নিয়ে উদ্বেগও কম নেই। আনন্দের এই উপকরণ হঠাৎ করেই বাড়িয়ে দেয় বায়ুদূষণ। প্রশ্ন উঠছে কিছু সময়ের আনন্দ উপভোগ করতে গিয়ে পরিবেশ ভাবনা শিকেয় তুলে দেওয়া নিয়েই।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ