খোশখবর ডেস্কঃ সদ্য আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন বা আইএসএস থেকে ঘুরে এসেছেন ভারতীয় মহাকাশ্চারী গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা। তিনিই প্রথম ভারতীয় পাইলট যিনি বিশেষ মিশনে ISS-এ গিয়েছেন। ১৮ দিন মহাকাশে কাটিয়ে ভারতের মহাকাশ যুগের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন। তবে শুধু ভারত নয় পৃথিবীর মহাকাশ বিজ্ঞানে মানুষের জয়যাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এক অমূল্য সময়ের সাক্ষী এই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন। এবার দিন শেষ হতে চলেছে সেই ISS-এরই।
গুগলে আরও 'খোশখবর'
ঠান্ডা যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে আমেরিকা ও রাশিয়ার অংশীদারিত্বে তৈরি হয় এই স্পেস স্টেশন। ২০০০ সালের ২ নভেম্বর প্রথম মহাকাশচারীরা আইএসএস–এ পৌঁছনোর পর থেকে টানা ২৫ বছর ধরে চলেছে বিভিন্ন দেশের মহাকাশ্চারীদের আনাগোনা। ধীরে ধীরে বুড়োই হয়ে গেছে পৃথিবীর মানুষের মহাকাশের এই ঘর।
পুরনো হয়ে যাওয়া যন্ত্রাংশ এবং ক্রমবর্ধমান খরচের কথা উল্লেখ করে ২০৩১ সালের মধ্যে নাসা এই মহাকাশ স্টেশনকে কক্ষপথ থেকে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা করেছে। সায়েন্টিফিক আমেরিকানের তথ্য অনুযায়ী পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে প্রশান্ত মহাসাগরে ফেলে ধ্বংস করে দেওয়া হবে আইএসএসকে। অবসান ঘটবে এক ইতিহাসের।
কিন্তু তাহলে মহাকাশে গেলে মানুষ থাকবে কোথায়? বলা হচ্ছে সরকারি মহাকাশ স্টেশনের জায়গায় এবার আসরে নামবে নানা বেসরকারি মহাকাশ স্টেশন। যেমন ক্যালিফোর্নিয়ার সংস্থা ভাস্ট (Vast) আগামী ২০২৬ সালের মে মাসের মধ্যেই তাদের Haven-1 মহাকাশ স্টেশন উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করেছে। এর পর সেই তালিকায় আছে অ্যাক্সিওম স্পেস, ব্লু অরিজিন এবং স্টারল্যাব স্পেস–এর মতো সংস্থার স্টেশন।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ