নাসার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ‘অপোজিশন’ ঘটে তখনই, যখন পৃথিবী সূর্য ও বৃহস্পতির ঠিক মাঝখানে অবস্থান করে। এই সরলরেখায় অবস্থানের ফলে বৃহস্পতি পৃথিবীর অনেক কাছাকাছি আসে এবং তাই আরও উজ্জ্বল ও স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে।
গুগলে আরও 'খোশখবর'
এনডিটিভির রিপোর্ট অনুযায়ী নাসা তাদের এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছে, এই সময় বৃহস্পতিকে সবচেয়ে ভালভাবে দেখতে হলে সন্ধ্যার পর পূর্ব আকাশের দিকে তাকান। সারা রাত ধরেই মিথুন বা জেমিনি নক্ষত্রমণ্ডলের মধ্যে গ্রহটিকে দেখা যাবে।
জ্যোতিবিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী এই সময়ে বৃহস্পতির উজ্জ্বলতা এমন হবে যা খালি চোখেই খুব সহজে দেখা যাবে। তবে বাইনোকুলার বা টেলিস্কোপে দেখলে তা আরও মনোমুগ্ধকর লাগবে।
সেই ১৬১০ সালে নিজের তৈরি উন্নত টেলিস্কোপের সাহায্যে বৃহস্পতির চারটি বৃহত্তম উপগ্রহ আইও, ইউরোপা, গ্যানিমিড, ক্যালিস্টো আবিষ্কার করেছিলেন গ্যালিলিও গ্যালিলেই। এবার সঙ্গে বাইনোকুলার বা টেলিস্কোপ থাকলে বৃহস্পতির চার বৃহত্তম উপগ্রহকে সহজেই দেখে নিতে পারেন আপনিও।
এই সময়ে বৃহস্পতি পৃথিবী থেকে প্রায় ৬৩৩ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে থাকবে। সূর্য থেকে বৃহস্পতিতে আলো পৌঁছতে লাগে প্রায় ৪৩ মিনিট। আবার বৃহস্পতির গায়ে পড়া সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছতে সময় নেবে প্রায় ৩৫ মিনিট। কাজেই আমরা যে বৃহস্পতিকে দেখব তা প্রায় ৩৫ মিনিট আগের।
কাজেই আকাশপ্রেমী ও অপেশাদার জ্যোতির্বিদদের জন্য ১০ জানুয়ারির রাত নিঃসন্দেহে হতে চলেছে এক অভূতপূর্ব মহাজাগতিক অভিজ্ঞতা লাভের ক্ষণ। সূর্যাস্তের পর পূর্ব আকাশে, মিথুন নক্ষত্রমণ্ডলের দিকে তাকান। দেখে নিন সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে বড় বৃহস্পতিকে।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ