খোশখবর ডেস্কঃ নতুন বছরের শুরুতেই আমরা খোশখবরের ভিডিওতে জানিয়েছিলেম যে এবার হাইস্পিড ট্রেনের দুনিয়ায় ঢুকে পড়তে চলেছে ভারতও। এক অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিনেই ভারতের রেলপথে ছুটতে দেখা যাবে দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন।
গুগলে আরও 'খোশখবর'
দেশের প্রথম বুলেট ট্রেনের পর এবার খবর হাইড্রোজেন ট্রেনের। জানা যাচ্ছে দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন চালু হতে চলেছে নতুন বছরের জানুয়ারিতেই। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ভারতের প্রথম হাইড্রোজেনচালিত ট্রেন-সেটের নির্মাণ সম্পূর্ণ। হরিয়ানার জিন্দে ইলেক্ট্রোলাইসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হাইড্রোজেন উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ইঞ্জিন চালিত ট্রেন হরিয়ানার জিন্দ- শোনিপথ রুটে যাত্রা শুরুর জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। দূষণ হীন এই ট্রেনের গতি হবে ১১০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। গোটা ট্রেনের সব কামরাই হবে এসি।
কিন্তু এই হাইড্রোজেন ট্রেন আসলে কী? সোজা কথা এই ট্রেন চলার জন্য শক্তির উৎস হিসেবে অন-বোর্ড হাইড্রোজেন জ্বালানি ব্যবহার করে। ডিজেলের পরিবর্তে হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ব্যবহার করে চলার এই প্রক্রিয়ায় শুধু জলীয় বাষ্প নির্গত হয়, কোনও কার্বন বা দূষণ ছড়ায় না।
খোশখবরে আরও পড়ুন/ ক্লিক করুন এখানে
হাইড্রোজেন ট্রেন এখনও বিশ্বজুড়ে সেভাবে চালু হয় নি। বর্তমানে জার্মানি, চিন, এবং ব্রিটেনের মতো দেশগুলোয় পরীক্ষামূলক বা সীমিত পরিসরে এই ট্রেন চলছে। এবার ভারতীয় রেল নেট-জিরো কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্য পূরণের জন্য এই প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে। বর্তমানে ব্রড গেজ লাইনে ১০ কোচের বিশ্বের দীর্ঘতম এবং সর্বাধিক শক্তিশালী হাইড্রোজেন ট্রেন চালাতে চলেছে ভারত। এই ট্রেন-সেটে রয়েছে দুটি ড্রাইভিং পাওয়ার কার, প্রতিটির ক্ষমতা ১২০০ কিলোওয়াট করে মোট ২৪০০ কিলোওয়াট এবং সঙ্গে আটটি যাত্রীবাহী কোচ।
হাইড্রোজেন ট্রেন এখনও বিশ্বজুড়ে সেভাবে চালু হয় নি। বর্তমানে জার্মানি, চিন, এবং ব্রিটেনের মতো দেশগুলোয় পরীক্ষামূলক বা সীমিত পরিসরে এই ট্রেন চলছে। এবার ভারতীয় রেল নেট-জিরো কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্য পূরণের জন্য এই প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে। বর্তমানে ব্রড গেজ লাইনে ১০ কোচের বিশ্বের দীর্ঘতম এবং সর্বাধিক শক্তিশালী হাইড্রোজেন ট্রেন চালাতে চলেছে ভারত। এই ট্রেন-সেটে রয়েছে দুটি ড্রাইভিং পাওয়ার কার, প্রতিটির ক্ষমতা ১২০০ কিলোওয়াট করে মোট ২৪০০ কিলোওয়াট এবং সঙ্গে আটটি যাত্রীবাহী কোচ।
হাইড্রোজেন ট্রেনের সুবিধে অনেক। যেসব রুটে ইলেকট্রিক লাইন বসানো কঠিন ও খরচসাপেক্ষ সেখানে এটি ডিজেলের চমৎকার বিকল্প।এই ট্রেনে শব্দ ও কম্পন কম,ডিজেল ইঞ্জিনের তুলনায় মসৃণভাবে চলে। ব্যাটারি চালিত ট্রেনের চেয়ে দ্রুত হাইড্রোজেন রিফুয়েল করা যায়। কাজেই গোটা বিশ্বের সামনে নজির রেখে এবার দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি শক্তিশালী হাইড্রোজেন ট্রেন আনতে চলেছে ভারত।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]


0 মন্তব্যসমূহ