খোশখবর ডেস্কঃ বড় ঘোষণা করল নাসা। চিকিৎসাজনিত কারণে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে আগাম ফেরানো হচ্ছে ক্রু সদস্যদের। নাসা জানিয়েছে, সবকিছু ঠিক থাকলে ১৪ জানুয়ারি আইএসএস থেকে ক্রু – ইলেভেন মিশনের মহাকাশচারীদের পৃথিবীতে ফেরানো হবে।
এই মিশনে অগস্ট মাস থেকে মহাকাশে ছিলেন চার নভোচর। যারা ফিরছেন তাঁরা হলেন মার্কিন নভোচর মাইক ফিনকে ও জেনা কার্ডম্যান। জাপানের কিমিয়া ইউই এবং রাশিয়ার তবে মার্কিন নভোচর ক্রিস উইলিয়ামস আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনেই থাকবেন।
গুগলে আরও 'খোশখবর'
বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে নাসার পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হয়। এটিই প্রথমবার, যখন কোনো মহাকাশ সংস্থা আইএসএস মিশনের ক্ষেত্রে চিকিৎসাজনিত কারণে সরাসরি ‘মেডিক্যাল ইভাকুয়েশন’-এর নির্দেশ দিল।
মহাকাশে কোনও মহাকাশচারী অসুস্থ হয়ে পড়লে কী হবে এই প্রশ্ন উঠেছে বার বার। সায়েন্টিফিক আমেরিকানের তথ্য অনুসারে মহাকাশ স্টেশনে হাসপাতালের মত চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকলেও আছে অ্যানেসথেটিক, বমিভাব কমানোর ওষুধ, হাইড্রেশন লিকুইড এবং অ্যান্টিবায়োটিকসহ নানা প্রয়োজনীয় ওষুধের মজুত। আছে আল্ট্রাসাউন্ড টু আইভিএস, ডিফিব্রিলেটর ইত্যদি নানা চিকিৎসা সরঞ্জাম —যেগুলো অসুস্থ বা আহত ক্রু সদস্যদের চিকিৎসায় কাজে লাগে।
তবে মহাকাশে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা ঘটে না তার একটি বড় কারণ হলো পেশাদার মহাকাশচারীদের মহাকাশে পাঠানোর আগে কঠোর চিকিৎসা-পরীক্ষা ও বাছাই প্রক্রিয়া চালানো হয়। আইএসএস-এর সমস্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহারের বিষয়ে ক্রুদের বিস্তৃত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
এনডিটিভির তথ্য অনুসারে নাসা জানিয়েছে, এটি আইএসএস-এর ইতিহাসে প্রথম চিকিৎসাজনিত প্রত্যাবর্তন। বিশদে কিছু না জানানো হলেও বলা হয়েছে কোনও অনবোর্ড আঘাত নয়। ক্রু সদস্যের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং জরুরি উদ্ধার প্রয়োজন নেই।
এই মিশনে অগস্ট মাস থেকে মহাকাশে ছিলেন চার নভোচর। মাইক ফিনকে, জেনা কার্ডম্যান, কিমিয়া ইউই এবং ওলেগ প্লাটোনভ। তবে মার্কিন নভোচর ক্রিস উইলিয়ামস আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনেই থাকবেন।
২০০০ সাল থেকে মানুষের বসবাস থাকা এই স্পেস স্টেশন এখন ভবিষ্যতের মঙ্গল অভিযানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাগার। নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের পর আইএসএস অবসর নেবে।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ