খোশখবর ডেস্কঃ প্রথম ভারতীয় হিসেবে সদ্য আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে ঘুরে এসেছেন ভারতীয় মহাকাশ্চারী গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা। ১৮ দিন মহাকাশে কাটিয়ে ভারতের মহাকাশ যুগের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন তিনি। একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে পৃথিবীর মহাকাশ বিজ্ঞানে মানুষের জয়যাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এক অমূল্য সময়ের সাক্ষী এই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন। তবে আর অন্য দেশের স্পেস স্টেশন নয়, এবার অন্তরীক্ষে মহাকাশ স্টেশন তৈরির পথে হাঁটছে ভারত নিজেই।
গুগলে আরও 'খোশখবর'
ভারতের নিজস্ব মহাকাশ স্টেশনের নাম হতে চলছে ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন বা বিএএস। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী এই মহাকাশ স্টেশন তৈরি করতে দেশীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। শুধুমাত্র ভারতীয় প্রতিষ্ঠান গুলোই এক্ষেত্রে আবেদন করতে পারবে।
ইসরোর ভিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার ইতিমধ্যেই যোগ্য ভারতীয় নির্মাতাদের কাছ থেকে BAS-01 স্ট্রাকচার তৈরি করার জন্য আবেদন আহবান করেছে। প্রথম মডিউলটির ওজন প্রায় ১০ টন হবে বলে পরিকল্পনা চলছে এবং বেশিরভাগ প্রযুক্তি দেশীয়ভাবে তৈরি হবে।
ইসরো এই প্রকল্পকে ভারতের মহাকাশে মানুষ পাঠানোর প্রোগ্রাম বা গগনযান মিশনের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেছে। জানা যাচ্ছে ভারতের এই নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে (লোওয়ার আর্থ অরবিট) প্রায় ৪০০-৪৫০ কিমি উচ্চতায় অবস্থান করবে। হিসেব মত BAS-01 মডিউলকে ২০২৮ সালের মধ্যে উৎক্ষেপণ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
মোট পাঁচটি মডিউল যোগ করে স্টেশনের পূর্ণ কার্যকরী রূপ ২০৩৫ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন চালু হলে ভারতের নিজস্ব দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ গবেষণার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও অনেক গবেষণা চালানো সম্ভব হবে।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ