একনজরে

10/recent/ticker-posts

Chinese New Year ১৭ই ফেব্রুয়ারি শুরু নতুন বছর, ছুটির মেজাজে চিনারা


খোশখবর ডেস্কঃ ইংরেজি গেগরিয়ান ক্যালেন্ডার নয় চিনারা নতুন বছর পালন করে তাদের ক্যালেন্ডার মেনে। চন্দ্র ক্যালেন্ডারের উপর ভিত্তি করে পালিত হয় চাইনিজ নিউ ইয়ার। ২০২৬ সালের চিনা নববর্ষ পড়েছে ১৭ই ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার)। অর্থাৎ চিনা লুনিসোলার ক্যালেন্ডারের নতুন বছরের শুভ সূচনার উৎসব। বলা হচ্ছে এই বছরটি চিনা রাশিচক্র অনুযায়ী 'ঘোড়ার বছর' (Year of the Horse)। আবার ২০২৭ সালের চিনা নববর্ষ হবে ৬ই ফেব্রুয়ারী (মঙ্গলবার) এবং তা ১০ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হবে। সেটি হবে ভেড়ার বছর।

 গুগলে আরও 'খোশখবর'

 
প্রতি বছর নতুন মাস ও নতুন চাঁদের উপর ভিত্তি করে এই তারিখ নির্ধারিত হয়। তাই Gregorian ক্যালেন্ডারের তারিখ পরিবর্তিত হয়। সাধারণত এটি জানুয়ারির শেষ থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি যেকোনো দিনে পড়ে।


নতুন বছর মানেই পুরোনোকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরের আরম্ভ ও নতুন কিছুর শুরু। আর এই উপলক্ষ্যে চিনারা পরিবারের সবাই একত্রে মিলিত হয়ে ভাল ও পছন্দের খাবার খায়, ঘর-বাড়ি বারান্দা সাজায় এবং একে-অপরকে শুভেচ্ছা জানায়।


নতুন বছর উদযাপনের জন্য ছুটির মেজাজে থাকে চিনারা। সরকারী ছুটির দিন হিসেবে, চিনারা ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে ২৩শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নয় দিনের জন্য কর্মস্থল থেকে ছুটি পেতে পারে। আইনত ছুটি হল সাত দিনের, চন্দ্র নববর্ষের আগের দিন থেকে প্রথম চন্দ্র মাসের ষষ্ঠ দিন পর্যন্ত। তবে কিছু কোম্পানি এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান ১০ দিন বা তার বেশি সময় পর্যন্ত দীর্ঘ ছুটি দেয় নতুন বছরের আনন্দ উদযাপনের জন্য। 


নববর্ষ উপলক্ষ্যে লণ্ঠন প্রদর্শনী, ড্রাগন বা সিংহ নাচ, ঢোল-ডাঘা প্রভৃতি প্রদর্শনী দেখা যায়। চন্দ্র নববর্ষের আগের দিন থেকে প্রথম চন্দ্র মাসের ১৫তম দিন পর্যন্ত ল্যান্টার্ন উৎসব স্থায়ী হয়। নতুন বছর পালনের জন্য বাড়ি পরিষ্কার ও লাল রঙের সাজসজ্জা করা হয়, যা সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক। নিউ ইয়ার ইভে বড় ভোজের আয়োজন করা হয়, যা অনেকের কাছে হয়ে ওঠে বছরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাবার। থাকে বিশেষ খাবার যেমন ডাম্পলিং, লম্বা নুডলস, শুভ প্রতীকী ফল ইত্যাদি।

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code