খোশখবর ডেস্কঃ ১৭ ফেব্রুয়ারি ফের একটা সূর্যগ্রহণ। তবে এটা ২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণের পাশাপাশি অন্যতম চিত্তাকর্ষক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা বা ‘রিং অফ ফায়ার’। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও আকাশপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
গুগলে আরও 'খোশখবর'
এদিন চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এলেও সূর্যকে পুরোপুরি ঢাকতে পারবে না। কারণ, সেই সময়ে পৃথিবী থেকে আকাশে চাঁদের আপাত আকার তুলনামূলক ছোট দেখাবে। এর ফলে সূর্যের চারপাশে আগুনের আংটি বা জ্বলন্ত বলয়ের মতো উজ্জ্বল রিং দৃশ্যমান হবে। একে বাংলায় ‘আগুনের বলয়’ বা বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ বলা হয়।
‘রিং অফ ফায়ার’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে আগ্রহ তৈরি হলেও পৃথিবীর সব জায়গা থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না। এই গ্রহণের অ্যানুলারিটি বা পূর্ণ বলয় দেখার এলাকা বা পথ অত্যন্ত ছোট বা সংকীর্ণ। বিশ্বের কোনও বড় শহর সরাসরি এই পথে পড়ছে না। অ্যান্টার্কটিকা থেকে প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ডের পূর্ণ ‘রিং অফ ফায়ার’ দেখা যাবে।
নিখুঁত বলয় গ্রহণ দুর্লভ হলেও দক্ষিণ গোলার্ধের একাধিক শহর আংশিক গ্রহণের সাক্ষী থাকবে। তার মধ্যে আছে কেপ টাউন, ডারবান, পোর্ট লুই, আন্তানানারিভো ইত্যাদি শহর। এছাড়াও আংশিক গ্রহণ দেখা যাবে পান্তা অ্যারেনাস, জোহানেসবার্গ, প্রিটোরিয়া, গ্যাবোরোন, মাপুতো, হারারে, দিয়েগো গার্সিয়া, সেন্ট-ডেনিস, ভিক্টোরিয়া প্রভৃতি শহরে।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]



0 মন্তব্যসমূহ