একনজরে

10/recent/ticker-posts

Fifth warmest January ৫ম ‘উষ্ণতম’ জানুয়ারি পৃথিবীর দু-প্রান্তে প্রকৃতির ভয়ঙ্কর ভিন্ন রূপ


খোশখবর ডেস্কঃ বছরের শুরুতেই খেল দেখাতে শুরু করল গরম। এমনিতেই আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন ২০২৬ সাল হতে চলেছে রেকর্ড গরমের বছর। কারণ লা-নিনার প্রভাব কেটে গিয়ে এ বছর দাপট দেখাবে এল নিনো। কোপারনিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস-এর রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসকে পঞ্চম উষ্ণতম জানুয়ারি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বুলেটিনে বলা হয়েছে মাসটির গড় বৈশ্বিক তাপমাত্রা প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় বা ১৮৫০ থেকে ১৯০০ পর্যন্ত সময়ের চেয়ে ছিল ১.৪৭°C বেশি।

গুগলে আরও 'খোশখবর'

ব্যাপারটা একটু খুলেই বলা যাক। জানুয়ারিতে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ যখন হিমশীতল পরিস্থিতির মুখোমুখি তখন দক্ষিণ গোলার্ধে ভয়াবহ তাপ। বিশ্ব আবহাওয়ার চিত্রে বৈপরীত্যের ইঙ্গিত দিয়ে দুই মেরুতেই প্রকৃতির চরম রূপ দেখা গেছে। কোপার্নিকাস রিপোর্ট বলছে স্বাভাবিক জলবায়ু ব্যবস্থার পরিবর্তনের কারণে একই সময়ে বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্নধর্মী চরম আবহাওয়া দেখা যাচ্ছে।


European Centre for Medium-Range Weather Forecasts –এর জলবায়ু সংক্রান্ত প্রধান সামান্থা বার্গেস জানিয়েছেন, “এই জানুয়ারি আমাদের মনে করিয়ে দিল, জলবায়ু ব্যবস্থায় একই সঙ্গে ভয়াবহ ঠান্ডা ও চরম গরম—দুটিই ঘটতে পারে।


এবার ফেনোস্ক্যান্ডিয়া, বাল্টিক অঞ্চল, পূর্ব ইউরোপ, সাইবেরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক ঠান্ডা পড়ে। ২০১০ সালের পর এটিই ইউরোপের সবচেয়ে ঠান্ডা জানুয়ারি। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এই শৈত্যপ্রবাহ সত্ত্বেও বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলে মাসিক তাপমাত্রা ছিল গড়ের উপরে। বিশেষ করে— আর্কটিক অঞ্চল, পশ্চিম উত্তর আমেরিকা, উত্তর আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও আন্টার্কটিকার বড় অংশ।


দক্ষিণ গোলার্ধে চিত্র ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। রেকর্ড ভাঙা তাপমাত্রা একাধিক চরম আবহাওয়ার জন্ম দেয়। এর মধ্যে আছে অস্ট্রেলিয়া, চিলি ও প্যাটাগোনিয়ায় ভয়াবহ দাবানল। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশেষত মোজাম্বিকে অতিবৃষ্টির জেরে ভয়াবহ বন্যা। তবে প্রশান্ত মহাসাগরে ‘লা নিনা’ পরিস্থিতি থাকায় ভারতীয় উপমহাদেশের পরিস্থিতি মোটের উপরে স্বাভাবিকই ছিল।

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code