খোশখবর ডেস্কঃ গোটা বিশ্বের নজর কাড়ছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ –যা গ্লোবাল সাউথের প্রথম আন্তর্জাতিক এআই সম্মেলন। বলা হচ্ছে ভারতে অন্য দেশের মত এআই কয়েকটি কর্পোরেট সংস্থার হাতে থাকবে না। তা আসলে হয়ে উঠেছে সরকার, স্টার্টআপ ও সৃষ্টিশীল জগতের মিলনক্ষেত্র।
ভারত গড়ে তুলছে ১০,৩০০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের IndiaAI Mission মডেল। এই মিশনের অধীনে থাকছে তৈরি থাকা ৩৮,০০০-এর বেশি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট – এর সঙ্গে যুক্ত হতে চলেছে আরও ২০,০০০ জি পি ইউ। ফলে স্টার্টআপ, গবেষক, শিক্ষার্থী ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য কম্পিউট শক্তির বাধা কমে যাবে অনেকটাই। কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, উৎপাদন, প্রশাসন ও জলবায়ু — সব ক্ষেত্রেই কাজ হবে এ আই নিয়ে।
গুগলে আরও খোশখবর
সম্মেলনের প্রথম দিনেই সারা দেশে আড়াই লক্ষের বেশি শিক্ষার্থী দায়িত্বশীল এআই ব্যবহারের অঙ্গীকার নিয়েছে — যা Guinness World Records-এ স্বীকৃতির জন্য জমা দেওয়া হয়েছে। এটি দায়িত্ব ও আশাবাদের মেলবন্ধনে এক নতুন প্রজন্মের আত্মপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ভারতকে বিশ্বের শীর্ষ তিন এআই দেশের একটি হিসেবে স্থান দিয়েছে। ইতিমধ্যেই এআই ব্যবহারে শীর্ষস্থানে রয়েছে ভারতের বিপুল জনসংখ্যার মানুষ। কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন আগামী দু- বছরে ভারতের এআই ইকোসিস্টেমে ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগ আসতে পারে।
বিশ্বজুড়ে একাধিক বড় সংস্থা ইতিমধ্যেই ভারতে ডেটা সেন্টার স্থাপনে কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের অঙ্গীকার করেছে। টাইমস অফ ইণ্ডিয়ার তথ্য বলছে ভারতে এআই পরিকাঠামোয় আমাজন অতিরিক্ত ৩৫ বিলিয়ন ডলার, মাইক্রোসফট ২০২৯-এর মধ্যে ১৭.৫ বিলিয়ন ডলার, গুগল ভাইজ্যাগ-ভিত্তিক এআই হাবে ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।
দেশীয় সংস্থার মধ্যে আদানি গ্রুপ ২০৩৫ সালের মধ্যে এআই-রেডি ডেটা সেন্টার গড়তে ১০০ বিলিয়ন ডলার এবং এআই পরিকাঠামো ইকোসিস্টেম তৈরি করতে ১৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা করেছে। এছাড়া টি সি এস এআই পরিকাঠামোয় ২ বিলিয়ন ডলার, রিলায়েন্স পাঁচ বছরে ১১ বিলিয়ন ডলার, ওপেন-এ আই এর সঙ্গে যৌথভাবে বিনিয়োগ করবে ইটারনালও।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]


0 মন্তব্যসমূহ