খোশখবর ডেস্কঃ মহাকাশ অভিযানের ইতিহাসে পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ বরাবরই অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্র। ঠাণ্ডা যুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন-এর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই যাত্রা এখন নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, এখন পর্যন্ত মাত্র ছয়টি দেশ বা রাজনৈতিক জোট চাঁদে, তার কক্ষপথে বা আশেপাশে সফল বা আংশিক সফল মিশন পরিচালনা করেছে। এই তথ্য দিয়েছে স্ট্যাটিস্টা ডট কম।
তালিকার শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৫৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে তারা মোট ৪৪টি সফল বা আংশিক সফল চন্দ্র মিশন সম্পন্ন করেছে। সদ্য উৎক্ষেপিত Artemis II মিশনের লক্ষ্য মানুষের মাধ্যমে চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ, যা মহাকাশ গবেষণায় নতুন অধ্যায় খুলতে চলেছে।
দ্বিতীয় স্থানে থাকা সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৯ থেকে ১৯৭৬ সালের মধ্যে ২২টি মিশন পরিচালনা করেছিল। যদিও দেশটি এখন আর অস্তিত্বে নেই, তাদের অবদান এখনও মহাকাশ ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ।
২০০০-এর দশকে দ্রুত এগিয়ে এসেছে চিন। ২০০৭ সালে শুরু হওয়া Chang'e program-এর অধীনে একাধিক সফল মিশন পরিচালনা করেছে বেজিং। সবকটি মিশনই সফল বা আংশিক সফল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
অন্যদিকে ভারত ২০০৮ সালে Chandrayaan-1-এর মাধ্যমে প্রথম চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করে। ২০১৯ সালের Chandrayaan-2 আংশিক সফল হলেও, ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট Chandrayaan-3-এর মাধ্যমে ভারত সফলভাবে চাঁদের মাটিতে অবতরণ করে ইতিহাস গড়ে।
এছাড়া জাপান ইতিমধ্যে ছটি চন্দ্র মিশন সম্পন্ন করেছে এবং ২০২৩ সালে প্রথম সফট ল্যান্ডিংয়ের সাফল্য পেয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন-ও ২০০৩ সালে Smart-1 প্রোব পাঠিয়ে চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করে এবং আধুনিক প্রযুক্তির পরীক্ষা চালায়।
এছাড়াও অন্তত সাতটি দেশের জাতীয় সংস্থা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অন্য দেশের রকেটে ‘পিগিব্যাক’ করে চাঁদে অরবিটার বা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা পাঠিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি সংস্থার পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ফলে ভবিষ্যতে আরও অনেক দেশ এই তালিকায় যুক্ত হতে পারে। চাঁদকে ঘিরে নতুন করে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতা আগামী দিনে মহাকাশ গবেষণার দিকনির্দেশই বদলে দিতে পারে।
এছাড়াও অন্তত সাতটি দেশের জাতীয় সংস্থা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অন্য দেশের রকেটে ‘পিগিব্যাক’ করে চাঁদে অরবিটার বা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা পাঠিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি সংস্থার পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ফলে ভবিষ্যতে আরও অনেক দেশ এই তালিকায় যুক্ত হতে পারে। চাঁদকে ঘিরে নতুন করে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতা আগামী দিনে মহাকাশ গবেষণার দিকনির্দেশই বদলে দিতে পারে।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ