ভারত ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। ভারতের সংবিধান দেশের আইনব্যবস্থার মূল ভিত্তি। ভারতের সংবিধান ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ থেকে কার্যকর হয়। রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারের প্রধান।মন্ত্রিসভার সহায়তায় সরকার পরিচালনা করেন তিনি। ভারত হল সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আছে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ বা আইনসভা। একটি হল লোকসভা বা House of the People, আর একটি হল রাজ্যসভা বা বা Council of States।
ভারতের মোট আয়তন প্রায় ৩২,৮৭,২৬৩ বর্গকিলোমিটার। আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র। ভারতের স্থলসীমার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫,২০০ কিলোমিটার। মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে লক্ষদ্বীপ এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ মিলিয়ে মোট উপকূলরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১১,০৯৮.৮১ কিলোমিটার।
গুগলে আরও খোশখবর
কর্কটক্রান্তি রেখা ভারতের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। উত্তরে হিমালয় পর্বতমালা, পূর্বে বঙ্গোপসাগর, পশ্চিমে আরব সাগর এবং দক্ষিণে ভারত মহাসাগর। ভারতের মূল ভূখণ্ড ৮°৪' থেকে ৩৭°৬' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৬৮°৭' থেকে ৯৭°২৫' পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। উত্তর থেকে দক্ষিণে দেশের বিস্তার প্রায় ৩,২১৪ কিলোমিটার এবং পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রায় ২,৯৩৩ কিলোমিটার।
ভারতীয় প্রমাণ সময় বা Indian Standard Time (IST) প্রচলিত। এটি UTC-এর তুলনায় ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট এগিয়ে। ভারতের আন্তর্জাতিক টেলিফোন কান্ট্রি কোড: +৯১। ভারতের উত্তর-পশ্চিমে রয়েছে আফগানিস্তান ও পাকিস্তান; উত্তরে চিন, ভুটান ও নেপাল; পূর্বদিকে মায়ানমার এবং বাংলাদেশ। সমুদ্রপথে শ্রীলঙ্কা ভারতের কাছ থেকে পৃথক। ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে রয়েছে পক প্রণালী ও মান্নার উপসাগর।
ভারতের জলবায়ুতে প্রধানত চারটি ঋতু। যেমন ১. শীতকাল: জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি ২. প্রাক্-বর্ষা বা গ্রীষ্মকাল: মার্চ, এপ্রিল ও মে ৩. দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর ঋতু বা বর্ষা : জুন, জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ৪. বর্ষা-পরবর্তী বা উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর ঋতু: অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর
ভারত এখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, ১ মার্চ ২০১১ তারিখে ভারতের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১২১.০৯ কোটি। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা প্রায় ৬২.৩৩ কোটি এবং নারীর সংখ্যা প্রায় ৫৮.৭৬ কোটি। সেই হিসেব অনুযায়ী ২০০১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে ভারতের গড় বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ১.৬৪ শতাংশ।
স্বাধীনতার পর দেশ উন্নতির পথে হাঁটায় বাড়ছে দেশের গড় আয়ু। ২০২৪ সালে ভারতের জন্মহার ছিল প্রতি হাজার জনে ১৮.৩। মৃত্যুহার ছিল প্রতি হাজার জনে ৬.৪।২০১৩-১৭ সময়কালের তথ্য অনুযায়ী, পুরুষদের গড় আয়ু ছিল ৬৭.৮ বছর এবং নারীদের ৭০.৪ বছর। আবার ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, ভারতে প্রতি ১,০০০ পুরুষের বিপরীতে নারীর সংখ্যা ছিল ৯৪৩।
ভারতের নাগরিকদের জাতীয়তা হল তারা ভারতীয়। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী ভারতের জনসংখ্যার ধর্মীয় বিন্যাস ছিল— হিন্দু ৭৯.৮%, মুসলিম ১৪.২%, খ্রিস্টান ২.৩%, শিখ ১.৭%, বৌদ্ধ ০.৭%, জৈন ০.৪%, অন্যান্য ধর্ম ও বিশ্বাস ০.৭%, ধর্ম উল্লেখ করেননি ০.২%।
ভারতের সংবিধানে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে ২২টি ভাষাকে। হিন্দি কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম সরকারি ভাষা। সংবিধানের ৩৪৩(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সরকারি কাজে ইংরেজির ব্যবহার অব্যাহত রাখার জন্য সংসদ আইন প্রণয়ন করতে পারে।
তথ্যঃ india.gov.in
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

.jpg)
.jpg)
.jpeg)

0 মন্তব্যসমূহ