একনজরে

10/recent/ticker-posts

Nepal House Survive নেপালের সেই আশ্চর্য বাড়ি টিকে গেল কীভাবে? সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং চর্চা

 


খোশখবর ডেস্কঃ সদ্য নেপালে ঘটে যাওয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়েছে। ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার (ফ্ল্যাশ ফ্লাড) ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। দেখা গেছে প্রবল জলস্রোতের সঙ্গে নেমে আসছে বিশাল বিশাল পাথর, কাদা। সঙ্গে উপড়ে যাওয়া গাছ, বাড়ির নানা অংশ, গাড়ি। কিন্তু সেই ভয়ঙ্কর স্রোতে সবকিছু খড়কুটোর মতো ভাসিয়ে নিয়ে গেলেও রক্ষা পায় একটি দোতলা বাড়ি। শুধু বাড়িটিই নয়, বেঁচে যান বাড়ির বারান্দায় আশ্রয় নেওয়া পরিবারের সদস্যরাও।



নেপালের বাড়িটি টিকে যাওয়ায় চর্চা

এর পরেই প্রশ্ন উঠেছে কেন এবং কীভাবে ভয়াবহ স্রোতেও টিকে গেল নেপালের সেই বাড়ি? এই নিয়ে মূল সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও চলছে জোর চর্চা। অনেকেই নানা অলৌকিক গল্প ফাঁদার চেষ্টা করলেও নির্মাণশৈলী ও কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যের কারণেই বাড়িটি টিকে থাকতে পেরেছিল বলে ব্যাখ্যা করেছেন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিশেষজ্ঞরা।

বাড়িটির নির্মাণ ছিল কিছুটা আলাদা?

বলা হচ্ছে নেপালের হিমালয় উপত্যকার বহু বাড়ি সাধারণত পাথরের গাঁথুনি দিয়ে তৈরি হয়। তাতে রিইনফোর্সড কংক্রিটের কাঠামো থাকে না। এই ধরনের বাড়ি উল্লম্ব ভার বহন করতে সক্ষম হলেও প্রবল পার্শ্বচাপ ঠেকাতে পারে না। কিন্তু ভাইরাল হওয়া বাড়িটি তৈরি হয়েছিল রিইনফোর্সড কংক্রিট (RCC) ফ্রেমের উপর। ফলে যখন প্রবল স্রোত বাড়িটির গায়ে আছড়ে পড়েছিল তখন গোটা কাঠামো সেই শক্তি মোকাবিলা করতে পেরেছিল। এছাড়া বাড়িটির অবস্থানও ছিল গুরুত্বপূর্ণ, যা সরাসরি বন্যার মূল স্রোতের পথে ছিল না।

তথ্যঃ এক্স সোশ্যাল মিডিয়া ও এনডিটিভি


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code