খোশখবর ডেস্কঃ কারিগরি ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রের নানা আবিষ্কার যে আমাদের প্রতিদিনের চলার ক্ষেত্রে কত সুবিধে করে দেয় তা আমরা অনেকক্ষেত্রে ভুলেই যাই। ১৫ সেপ্টেম্বর সেইরকমই একটা দিন যেদিন আমরা দেশের উন্নয়নে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং সমস্যা সমাধানে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের গুরুত্বকে বুঝে উঠতে পারি। এমন দিনে নতুন প্রজন্মের ইঞ্জিনিয়ারদের উদ্ভাবন, বিজ্ঞানমনস্কতা ও দেশ গঠনের কাজে এগিয়ে আসার বার্তাও দেওয়া হয়।
কেন ১৫ সেপ্টেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ডে?
স্যার এম. বিশ্বেশ্বরাইয়ার (স্যার মোক্ষগুণ্ডম বিশ্বেশ্বরাইয়া ) জন্মদিন উপলক্ষ্যে ১৫ সেপ্টেম্বর এই দিন পালন করা হয়। তাঁর ইঞ্জিনিয়ারিং দক্ষতা, জনসেবা এবং দেশের উন্নয়নে অবদানের প্রতি সম্মান জানিয়ে ভারত সরকার ১৯৬৮ সালে ইঞ্জিনিয়ার্স ডে পালনের সূচনা করে। দেশের পরিকাঠামো, জল ব্যবস্থাপনা, সেচ এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষার ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান আজও স্মরণ করা হয়। তাঁদের কাজের মূল লক্ষ্যগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল বাস্তব সমস্যার প্রযুক্তিগত সমাধান খুঁজে বের করা এবং মানুষের জীবনকে আরও সহজ ও নিরাপদ করে তোলা।
গুগলে আরও খোশখবর(KHOSHKHOBOR)
স্যার এম. বিশ্বেশ্বরাইয়া কে ছিলেন?
১৮৬১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর কর্ণাটকের মুদ্দেনাহাল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন এম. বিশ্বেশ্বরাইয়া। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেন এবং পুনের কলেজ অব সায়েন্স থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েন। ১৯১২ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত তিনি মাইসোরের দেওয়ান থাকার সময় তিনি রাজ্যের একাধিক পরিকাঠামো ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁকে অনেক সময় ‘আধুনিক মাইসোরের জনক’ বলা হয়।
স্যার বিশ্বেশ্বরাইয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল সেচ ও জল ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে। শুধু বড় বড় ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকল্প নয়, ভারতে প্রযুক্তিগত শিক্ষার প্রসারেও বিশ্বেশ্বরাইয়ার গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। তিনি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। শিল্প, জনকল্যাণমূলক কাজ এবং দেশের উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ভারত সরকার ১৯৫৫ সালে তাঁকে ভারতরত্ন প্রদান করে।
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

.jpg)
0 মন্তব্যসমূহ