ডলফিনের নানা তথ্য
প্রাণী বিজ্ঞানীদের গবেষণায় জানা গেছে ডলফিন মস্তিষ্কের অর্ধেক অংশ দিয়ে ঘুমোয়। এই বিশেষ পদ্ধতিতে ঘুমের সময় অন্য অংশটি জেগে থেকে আশপাশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করে। ডলফিন অত্যন্ত দ্রুত সাঁতার কাটতে পারে। বিপদ থেকে পালাতে বা দ্রুত কোথাও যেতে হলে ডলফিন ঘণ্টায় প্রায় ২৫ মাইল (৪০ কিলোমিটার) পর্যন্ত গতিতে সাঁতার কাটতে পারে। ডলফিন স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং বাতাসে শ্বাস নেয়। জলের নিচে থাকার সময় তারা মানুষের তুলনায় অনেকক্ষণ শ্বাস আটকে রাখতে পারে।
গুগলে আরও খোশখবর( KHOSHKHOBOR)
কীভাবে এল ‘বিশ্ব ডলফিন দিবস’?
২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, ফারো দ্বীপপুঞ্জের উপকূলে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে পরিচালিত শিকারে ১,৪০০-রও বেশি ডলফিনকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় ফারো দ্বীপপুঞ্জের সরকারকে আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। সেই হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদ ও স্মরণে এই দিবসের সূচনা হয়। Sea Shepherd Global-এর উদ্যোগ ও সহযোগিতায় প্রথম বিশ্ব ডলফিন দিবস পালিত হয় ২০২২ সালে।
গাঙ্গেয় ডলফিনকে বলা হয় শুশুক। ডলফিন শুধু সমুদ্রের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাণী নয়, সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে আজ অনেক ডলফিন প্রজাতি বিপদের মুখে। তাই ‘বিশ্ব ডলফিন দিবস’ শুধু ডলফিনকে ভালোবাসার দিন নয়— জীববৈচিত্র্য রক্ষার অঙ্গীকার করারও দিন।
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]
.jpg)
.jpg)
0 মন্তব্যসমূহ