একনজরে

10/recent/ticker-posts

Anak Krakatau eruption ভয়ঙ্কর সুন্দর! ইন্দোনেশিয়ায় ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত দেখে অবাক বিশ্ব

 

খোশখবর ডেস্কঃ ফের জেগে উঠেছে ইন্দোনেশিয়ার সক্রিয় আগ্নেয়গিরি মাউন্ট আনাক ক্রাকাতাউ। আল জাজিরা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী শুক্রবার রাতে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয় এবং লাভা ফোয়ারার মত ছিটকে পড়তে থাকে। লাভা উদগীরনের সময় ভয়ঙ্কর বজ্রধ্বনির মতো শব্দ শোনা যায় প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূর থেকেও। 


দূর থেকে তোলা অনেক ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও সেগুলোর সত্যতা যাচাই করে নি খোশখবর। আনাক ক্রাকাতাউ-এর উচ্চতা প্রায় ১৫৭ মিটার। এটি ইন্দোনেশিয়ার সুন্দা প্রণালীতে, জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মাঝামাঝি অবস্থিত।



কতদূর উঠেছে ছাই?

সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী জাভা দিকের আগ্নেয়গিরি থেকে ছাই ৬,০০০ মিটার (২০,০০০ ফুট) উচ্চতা পর্যন্ত উঠেছে বলে শনাক্ত করা হয়েছে হয়েছে। পাশাপাশি সুমাত্রা দিক ও জাভার ব্যানতেন প্রদেশের কিছু অংশে ১৫,০০০ মিটার (৫০,০০০ ফুট) পর্যন্ত উঠেছে বলে ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া সংস্থা বিএমকেজি জানিয়েছে। এই অগ্ন্যুৎপাত থেকে তাৎক্ষণিক সুনামি ঝুঁকি নেই বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়। 


রবিবার আরও দুটি নতুন অগ্ন্যুৎপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আটটি বিমানবন্দর, তাদের আকাশপথে ছাই থাকায় কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। এতে হাজার হাজার ফ্লাইট ব্যাহত হয় এবং ২,৭০,০০০-এরও বেশি যাত্রী আটকে পড়েন বলে সোমবার সেদেশের পরিবহন মন্ত্রক জানায়। তবে ছাই ধুয়ে ফেলতে ক্লাউড-সিডিং-এর মতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে।


কতটা ভয়ঙ্কর ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরি!

‘আনাক ক্রাকাতাউ’ নামের অর্থ ‘ক্রাকাতাউ-এর সন্তান’। এটি বিখ্যাত ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির নতুন সন্তান হিসেবে পরিচিত। এটি ১৮৮৩ সালের ভয়াবহ ক্রাকাটোয়া অগ্ন্যুৎপাতের পর ফেলে যাওয়া ক্যালডেরায় গঠিত, যা ইতিহাসের অন্যতম মারাত্মক আগ্নেয়গিরির ঘটনা হিসেবে লিপিবদ্ধ। ১৮৮৩ সালে ক্রাকাতাউ-এর ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত সুনামির সৃষ্টি করে এবং ৩৬ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। সেই অগ্ন্যুৎপাত বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা কমার ঘটনাতেও প্রভাব পড়েছিল। 

আবার ২০১৮ সালের অগ্ন্যুৎপাতে আংশিক ধস থেকে সুনামি সৃষ্টি হয়, যাতে জাভা ও সুমাত্রার উপকূলে ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন। আসলে ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। এই ভূ-অঞ্চলে ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত তুলনামূলকভাবে বেশি ঘটে।


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code