১৯৬৬ সালে ইউনেস্কোর ১৪তম সাধারণ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালনের ঘোষণা করা হয়েছিল। যদিও এখনও বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ নিরক্ষরতা, শিক্ষার সুযোগ কম পাওয়া এবং ডিজিটাল বৈষম্যের মতো সমস্যার মুখোমুখি। এর পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তিগত রূপান্তর এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০১৫ সালের পর থেকে বিশ্বের বহু দেশ ও সংস্থা মানসম্মত শিক্ষা এবং সাক্ষরতা কর্মসূচির সুযোগ বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে।
গুগলে আরও খোশখবর( KHOSHKHOBOR)
২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২৬ সালের এই দিবসের প্রতিপাদ্য হল মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা (Literacy for People, the Planet, and Prosperity)। অর্থাৎ ২০২৬-এর মূল বার্তাটি হল সাক্ষরতা শুধু পড়তে ও লিখতে শেখার বিষয় নয়; এটি মানুষের ক্ষমতায়ন, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, অর্থনৈতিক সুযোগ এবং একটি স্থায়ী ভবিষ্যৎ তৈরির অন্যতম চাবিকাঠি।
তথ্য সূত্রঃ ইউনেস্কো ওয়েব সাইট
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ