খোশখবর ডেস্কঃ পৃথিবীর উপরিভাগে যেমন একটা জগৎ আছে তেমনই এক আশ্চর্য দুনিয়া আছে সমুদ্রের নীচেও। বলা হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বহু নীচে, চরম অন্ধকার ও তীব্র শীতের মধ্যে থাকা বাস্তুতন্ত্রে বিস্ময়করভাবে ভরপুর জীবন রয়েছে। সদ্য আর্কটিক মহাসাগরের বহু গভীরে বিজ্ঞানীরা এমনই এক জগতের সন্ধান পেয়েছেন, যা গভীর সমুদ্রে জীবনের ধারণা এবং পৃথিবীতে কার্বনের চলাচল সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানকেই বদলে দিচ্ছে।
গুগলে আরও খোশখবর
নিউজউইক-এ প্রকাশিত তথ্য তুলে ধরে এই নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে এনডিটিভি ডট কম। গোটা পৃথিবীর জলবায়ু বিজ্ঞানকে বোঝার ক্ষেত্রে এবং আর্কটিক সমুদ্রের নীচে থেকে খনিজ পদার্থ তুলে আনাটা ঠিক কী না তা নিয়ে জারি থাকা বিতর্কে এই গবেষণা প্রভাব ফেলতে পারে।
দেখে নিন মিনি ভিডিও
সমুদ্রের গভীরে এই বাস্তুতন্ত্রটি খুঁজে পেয়েছেন জুলিয়ানা পানিয়েরি ও জোনাথন টি. কোপলির নেতৃত্বে একদল আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানী। তাঁরা আর্কটিক মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২.৫ মাইল নীচে গ্রিনল্যান্ড সাগরের মলোই রিজে গভীর মিথেন হাইড্রেট ঢিবির সন্ধান পেয়েছেন।
দেখে নিন ভিডিওটি
এটি এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে গভীর মিথেন হাইড্রেট ঢিবির সন্ধান, যার নাম দেওয়া হয়েছে ফ্রেয়া মাউন্ডস।এই ঢিবিগুলি আর্কটিক মহাসাগরের নীচে গ্রিনল্যান্ড সাগরের মলোই রিজে অবস্থিত, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২.৫ মাইল নীচে।
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন এই অঞ্চলের গভীর সমুদ্রের সমৃদ্ধ জীবজগতে বসবাসকারী জীবেরা সূর্যালোক ছাড়াই টিকে থাকে এবং তারা এখানকার রাসায়নিক শক্তির ওপর নির্ভরশীল। এই বাস্তুতন্ত্রটিকে এখন পর্যন্ত নথিভুক্ত সবচেয়ে গভীর গ্যাস নিঃসরণ এলাকা বলে মনে করা হচ্ছে। এই গবেষণাটি সদ্য Nature Communications জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এবং নরওয়ের দ্য আর্কটিক ইউনিভার্সিটি তা শেয়ার করেছে।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ