একনজরে

10/recent/ticker-posts

Portugal Mosaic street & Pavements পর্তুগালের নকশা করা রাস্তাঘাট, ফুটপাতের মোজাইক আপনাকে অবাক করবে


খোশখবর ডেস্কঃ বড়ই বিচিত্র আমাদের এই পৃথিবী।প্রাকৃতিক বৈচিত্রের পাশাপাশি এই বসুন্ধরা জুড়ে বাস করেন নানা সংস্কৃতির মানুষ, নানা ঐতিহ্যের ইতিহাস বয়ে নিয়ে বেড়ান তারা। পৃথিবীর বিভিন্ন শহরে মেলে সেখানকার নিজস্বতার দেখা। আজ খোশখবরের দর্শকদের শোনাব পর্তুগালের রাস্তাঘাট ও ফুটপাতের কথা - যেখানকার সুন্দর শৈল্পিক মোজাইক নকশা আপনাকে অবাক করে দেবে।

গুগলে আরও 'খোশখবর' 


পর্তুগালের বিভিন্ন রাস্তায় যে সুন্দর সুন্দর মোজাইক দেখা যায় তা স্থানীয় সংস্কৃতির একটি বৈশিষ্ট্য। তাকে বলা হয় ‘কালসাদা পর্তুগেসা’। প্রায় প্রতিটি ঐতিহাসিক শহরের রাস্তা চুনাপাথরের মোজাইক দিয়ে বাঁধানো, যার মাঝে কালো ব্যাসল্ট পাথর বসানো থাকে। নকশাগুলো কোথাও খুব সাধারণ বৃত্ত, রেখা বা গ্রিড, আবার কোথাও জটিল কারুকাজে ভরা।

দেখে নিন এই ভিডিওটা 


পর্তুগালের পর্তুগালের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর লিসবন, পোর্তো, কোইম্ব্রা-সহ নানা শহরের ফুটপাথের নকশা পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষনীয়। বলা হয় এই মোজাইক শিল্পের সূচনা ১৮৪০–এর দশকে লিসবনে। তখন পর্তুগালের নৌবাহিনীর কর্মীরা প্রথম কালো ও সাদা পাথর দিয়ে ঢেউয়ের নকশা আঁকেন। পরে এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং দেশের নানা শহরে ছড়িয়ে পড়ে।



পর্তুগালকে বলা হয় শিল্পমনস্ক দেশ। সেখানে ফুটপাথকে শুধু চলার জায়গা নয়, খোলা আকাশের নীচে শিল্পগ্যালারি হিসেবে দেখা হয়। সেখানে থাকে ঢেউ, জাহাজ, কম্পাস, সামুদ্রিক প্রাণী, জ্যামিতিক নকশা যা পর্তুগালের সামুদ্রিক ইতিহাস ও আবিষ্কারের যুগকে তুলে ধরে।


এই সব নকশাদার রাস্তা ও ফুটপাতে ব্যবহার করা হয় সাদা চুনাপাথর ও কালো ব্যাসল্ট পাথর যা পর্তুগালে সহজেই পাওয়া যায় এবং খুব টেকসই। নকশা সহজে মেরামত করা যায়, একটি পাথর ভাঙলে পুরো রাস্তা ভাঙতেও হয় না। পাশাপাশি গরমে পাথর তুলনামূলক ঠান্ডা থাকে।

আরও ভিডিও


পর্তুগালের রাস্তাঘাটের শিল্প ইতিহাস, প্রাকৃতিক সম্পদ ও ব্যবহারিক চিন্তার এক অপূর্ব মেলবন্ধন হলেও স্থানীয়দের দাবি, বহু ব্যবহারের ফলে চুনাপাথরের উপরিভাগ মসৃণ ও চকচকে হয়ে যায়। তখন এটি নিরাপদ নয়। ভ্রমণকারীদের আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে।

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code