গুগলে আরও খোশখবর
গ্রহণে অনেকেই মেনে চলেন শুভ অশুভর ব্যাপার। তবে বাস্তবে বিজ্ঞানের ব্যখ্যা অন্য। চাঁদের নিজস্ব আলো না থাকায় তার উপর সূর্যের আলো পড়লে তবে আমরা তাকে দেখতে পাই। কিন্তু পৃথিবী যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝে চলে আসে তখন সূর্যের আলো চাঁদে পড়তে পারে না। এই সময় পৃথিবীর ছায়ায় চাঁদ ঢাকা পড়ায় হয় চন্দ্রগ্রহণ। চাঁদ পৃথিবীর সবচেয়ে গাঢ় ছায়া অংশ বা উমব্রার ভেতরে সম্পূর্ণ প্রবেশ করলে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে।
পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় ছায়ায় ঢাকা হলেও চাঁদের রং হয় লাল। সূর্য থেকে আসা আলোকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল নীল আলোর তরঙ্গে ছড়িয়ে দেয় এবং লাল আলোকে ভেতরে বাঁকিয়ে পাঠায়—ফলে চাঁদ লাল হয়ে ওঠে। সেই কারণে এই চাদকে ‘রক্ত চাঁদ’ ব্লাড মুন বলা হয়। ৩ মার্চ দোল ও হোলির সময়কালে এই চন্দ্রগ্রহণ নিঃসন্দেহে হয়ে উঠেছে এক স্মরণীয় মহাজাগতিক আয়োজন।
প্রায় গোটা বিশ্বজুড়েই দেখা যাবে এই চন্দ্রগ্রহণ। সূর্যগ্রহণ দেখতে বিশেষ চশমার প্রয়োজন হলেও ব্লাড মুন নিরাপদে খালি চোখেই দেখা যায়।পূর্ণ গ্রহণের পর্যায়ে, যখন চাঁদ সম্পূর্ণ ভাবে ছায়ায় ঢেকে যাবে, সে সময়টি প্রায় ৫৮ মিনিট স্থায়ী হবে।
ভারতে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে ৩ মার্চ বিকেল ৪টে ৫৮ মিনিট থেকে। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে বিকেল ৫টা ৩২ মিনিটে। খণ্ডগ্রাস দেখা যাবে রাত ৭টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত।
বিজ্ঞানীদের হিসেব হল ৩ মার্চ ২০২৬-এর পর আগামী ৩৪ মাস পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ আর হবে না। ফের পূর্ণ গ্রাস হবে ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]



0 মন্তব্যসমূহ