একনজরে

10/recent/ticker-posts

Sunita Williams Retires অবসর মহাকাশ মানবী ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুনীতা উইলিয়ামসের


খোশখবর ডেস্কঃ তিনি আর মহাকাশে যাবেন না। মানব মহাকাশ অভিযানের ইতিহাসে অন্যতম সাফল্যময় ২৭ বছরের দীর্ঘ ও গৌরবময় কর্মজীবনের সমাপ্তি ঘটালেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস। ইন্ডিয়া টুডে তাদের রিপোর্টে জানিয়েছে নাসা সুনীতা উইলিয়ামসকে ‘মানব মহাকাশ অভিযানের পথিকৃৎ’ বলে উল্লেখ করেছে। নাসার মতে, স্পেস স্টেশনে তাঁর নেতৃত্ব এবং লোয়ার আর্থ অরবিটে বাণিজ্যিক মিশন এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য।

গুগলে আরও খোশখবর


২০০৬ সালের ডিসেম্বরে স্পেস শাটল ডিসকভারি দিয়ে প্রথম মহাকাশযাত্রা করেন সুনীতা উইলিয়ামস।এরপর অংশ নিয়েছেন একাধিক অভিযানে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে তিনটি মিশনে অংশ নিয়ে একাধিক রেকর্ড গড়েছেন। তিনি মোট ৬০৮ দিন মহাকাশে কাটিয়েছেন—নাসার কোনও মহাকাশচারীর মধ্যে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

দেখে নিন এই ভিডিও 


একক অভিযানে দীর্ঘতম সময় মহাকাশে থাকার তালিকায় তিনি ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন। সহকর্মী বুচ উইলমোরের সঙ্গে যৌথভাবে ২৮৬ দিন মহাকাশে ছিলেন। এছাড়া ন’ বার স্পেসওয়াক করে মোট ৬২ ঘণ্টা ৬ মিনিট মহাশূন্যে কাজ করেছেন—যা কোনও মহিলা মহাকাশচারীর ক্ষেত্রে সর্বাধিক এবং সর্বকালের তালিকায় চতুর্থ। তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি মহাকাশে ম্যারাথন দৌড়েছেন।


গত বছরেই এক সপ্তাহের জন্য গিয়ে টানা নয় মাসেরও বেশি সময় আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে কাটাতে হয় তাঁকে ও সহকর্মী বুচ উইলমোরকে। গোটা পৃথিবীবাসীকে উৎকণ্ঠায় রেখে শেষ পর্যন্ত তাঁরা মার্চ মাসে SpaceX-এর ক্যাপসুলে পৃথিবীতে ফেরেন তাঁরা।

মার্কিন নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন সুনীতা উইলিয়ামস ৪০ ধরনের বিমানে ৪,০০০ ঘণ্টারও বেশি উড়ান অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন দক্ষ পাইলট।মহাকাশযাত্রার বাইরেও নাসায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় কাজ করেছেন সুনীতা। ২০০২ সালে বিশেষ অভিযানে অংশ নিয়ে সমুদ্রের নীচে নয় দিন কাটান। সম্প্রতি মার্কিন চন্দ্র অভিযানের প্রস্তুতির জন্য হেলিকপ্টার প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফর্ম তৈরিতেও তিনি যুক্ত ছিলেন।


নাসার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর জ্যারেড আইজ্যাকম্যান জানিয়েছেন - স্পেস স্টেশনে সুনীতা উইলিয়ামসের নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ অনুসন্ধানের দিশা দেখিয়েছে। বলাই যায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই মহাকাশচারীর অবসরের মধ্য দিয়ে মানব মহাকাশ অভিযানের এক স্বর্ণালি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code