দেখে নিন এই ভিডিওটি
কী ছিল এই ডার্ট মিশন? এই মিশন হল মানুষের তৈরি প্রথম মহাকাশ অভিযান যার উদ্দেশ্য ছিল পৃথিবীর দিকে ছুটে আসা বিপজ্জনক গ্রহাণুর গতিপথ বদলানো সম্ভব কি না তা পরীক্ষা করা।এর পুরো নাম ডাবল অ্যাসট্রয়েড রিডিরেকশন টেস্ট।
২০২২ সালের সেই ঐতিহাসিক 'কাইনেটিক ইমপ্যাক্টর' পরীক্ষার জেরে সম্প্রতি এমন কিছু বিস্ময়কর তথ্য সামনে এসেছে, যা আমাদের গ্রহ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
গুগলে আরও খোশখবর
বিজ্ঞানীদের ব্যখ্যা অনুযায়ী এটা অনেকটা ঠিক মাঝ সমুদ্রে থাকা একটি জাহাজের দিক যাত্রার শুরুতেই মাত্র এক ডিগ্রি পরিবর্তন করে দেওয়ার মতো—যা কয়েক দশক পর জাহাজটিকে মূল লক্ষ্য থেকে কয়েক হাজার মাইল দূরে সরিয়ে দেবে। অর্থাৎ, শেষ মুহূর্তে বিশাল কোনো গ্রহাণুকে সরানোর চেয়ে অনেক বছর আগে সামান্য একটি ধাক্কা দেওয়াই হলো বুদ্ধিমানের কাজ।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]


0 মন্তব্যসমূহ