দেখে নিন এই ভিডিওটি
রাষ্ট্রসঙ্ঘের তথ্য বলছে এই সব অবৈতনিক কাজের মধ্যে পড়ে— খাবার রান্না করা, ঘর পরিষ্কার করা, কাপড় ধোয়া, জল ও জ্বালানি সংগ্রহ করা এবং পরিবারের সদস্যদের সরাসরি যত্ন নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে শিশু, বয়স্ক মানুষ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বা অন্য প্রাপ্তবয়স্কদের দেখভাল করাও।
গুগলে আরও 'খোশখবর'
প্যারিস ভিত্তিক অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট বা ও ই সি ডি-র তথ্য বলছে, ইউরোপ এবং অস্ট্রেলিয়া/নিউজিল্যান্ড অঞ্চলে মহিলাদের বেতন মেলে এমন কাজের সময় তুলনামূলকভাবে কম। তবে এই অঞ্চলগুলিতে নারী-পুরুষ উভয়েই অবৈতনিক কাজ বেশি করেন। ফলে সেখানে বেতনভিত্তিক ও অবৈতনিক কাজ মিলিয়ে নারী-পুরুষের মোট কাজের সময় প্রায় সমান হয়ে যায়। তবে অস্ট্রেলিয়ার সমীক্ষায় বেশি সংখ্যক প্রবীণ মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার ফলে সেখানকার অবৈতনিক কাজের চিত্র কিছুটা অনুকূল দেখাতে পারে বলে স্ট্যটিস্টা সুত্রে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে এশিয়ায় নারী-পুরুষ উভয়েই বেতনভিত্তিক কাজে সবচেয়ে বেশি সময় দেন। কিন্তু সমীক্ষার তথ্য বলছে এখানে পুরুষেরা পারিশ্রমিক হীন কাজে সবচেয়ে কম অংশ নেন (যদিও চিনের সমীক্ষায়ও প্রবীণদের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি ছিল)। এর ফলে এই অঞ্চলে নারী-পুরুষের কাজের সময়ের পার্থক্য সবচেয়ে বেশি—গড়ে নারীরা পুরুষদের তুলনায় প্রতিদিন ৪১ মিনিট বেশি কাজ করেন।
'খোশখবর' - এর আরও জনপ্রিয় ভিডিও
ইউরোপে এই ব্যবধান প্রায় ৩৫ মিনিট। সেখানে মহিলারা শ্রমবাজারে তুলনামূলকভাবে কম অংশগ্রহণ করলেও সংসারে পারিশ্রমিক মেলে না এমন কাজের বড় অংশ তাদেরই কাঁধে পড়ে। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় পুরুষেরা ইউরোপের মতোই অবৈতনিক কাজ করেন, কিন্তু বেতনভিত্তিক কাজে বেশি সময় দেন। ফলে তাদের মোট কাজের সময়ও বেড়ে যায়। তবে এই দুই দেশে মহিলারাও ইউরোপের তুলনায় বেশি পারিশ্রমিক মেলার কাজ করেন এবং কিছুটা কম অবৈতনিক কাজ করেন। সব মিলিয়ে সেখানে নারীরা পুরুষদের তুলনায় প্রতিদিন গড়ে ৭ মিনিট বেশি কাজ করেন।
তথ্যঃ স্ট্যাটিস্টা ডট কম
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]
.jpg)

0 মন্তব্যসমূহ