একনজরে

10/recent/ticker-posts

El Nino 2026 শক্তি বাড়ছে দ্রুত, ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ রূপ নিতে পারে ২০২৬ সালের এল নিনো


খোশখবর ডেস্কঃ এল নিনোর জেরে বিশ্ব এক ভয়াবহ উষ্ণতা বৃদ্ধির মুখোমুখি হতে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরে অস্বাভাবিক দ্রুত উষ্ণতা বৃদ্ধি ইতিমধ্যেই চরম গরম, দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং আবহাওয়ার ভয়াবহ অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি করেছে। মার্কিন আবহাওয়া সংস্থা National Oceanic and Atmospheric Administration -এর সাম্প্রতিক পূর্বাভাস বলছে, ২০২৬ সালের মে থেকে জুলাইয়ের মধ্যে এল নিনো তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ৮২ শতাংশ। সদ্য এই তথ্য প্রকাশ করেছে অনলাইন ডাউন টু আর্থ ম্যাগাজিন।


NOAA –র প্রাথমিক মডেল বিশ্লেষণে আশঙ্কা করা হচ্ছে, বছরের শেষে এই উষ্ণায়ন প্রবণতা এতটাই শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে যে তা ১৮৭৬-৭৮ সালের ঐতিহাসিক এল নিনোর সমতুল্য বা তার চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। তথ্য বলছে সেই সময় বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ খরা ও দুর্ভিক্ষে প্রায় ৫ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

গুগলে আরও খোশখবর 
 

এল নিনো আসলে কী? এল নিনো হল নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরে এক অস্বাবাভিক উষ্ণ পর্যায় – যখন সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। এল নিনোর তীব্রতা নির্ধারণ করা হয় “ওশান নিনো ইনডেক্স” বা ONI দিয়ে। যখন ONI ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়ায়, তখন এল নিনো ঘোষণা করা হয়। ইনডেক্স ০.৫°C – ১°C হলে দুর্বল এল নিনো, ১°C – ১.৫°C হলে মাঝারি এল নিনো, ১.৫°C-এর বেশি হলে শক্তিশালী এল নিনো এবং ২°C-এর বেশি হলে অত্যন্ত শক্তিশালী বা “সুপার এল নিনো” ।


ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছরগুলোর অনেকগুলোই এল নিনোর প্রভাবের ফল। ২০২৩-২৪ সালের এল নিনো ও গ্রিনহাউস গ্যাসজনিত উষ্ণায়নের প্রভাবে ২০২৪ সাল পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছর হয়ে ওঠে বলে জানিয়েছে World Meteorological Organization (WMO)।


বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগরে অস্বাভাবিক দ্রুত উষ্ণতা বৃদ্ধি ইতিমধ্যেই চরম গরম, দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং আবহাওয়ার ভয়াবহ অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি করেছে। NOAA জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এল নিনো সুপার বা ‘খুব শক্তিশালী’ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে এবং এর প্রভাব ২০২৭ সালের শুরুর দিক পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার ৯৬ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে।

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code