একনজরে

10/recent/ticker-posts

World largest football বোস্টনে বিশ্বের বৃহত্তম ফুটবল, কত বড় জানলে চমকে যাবেন!


খোশখবর ডেস্কঃ ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে সকারের লড়াইকে রাজকীয় রূপ দিতে বোস্টনে হাজির করা হয় বিশ্বের বৃহত্তম ফুটবল। নীল গোলকটির ব্যাস ৪৭.৯ ফুট বা ১৪.৬১৮ মিটার। অর্থাৎ প্রায় পাঁচ তলা বাড়ির সমান। গিনেস রেকর্ড অনুযায়ী বর্তমানে এটিই পৃথিবীর বুকে মানুষের তৈরি সর্ববৃহৎ ফুটবল।


২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের হাত ধরে পৃথিবীর ফুটবলের মানচিত্রে এখন জ্বলজ্বল করছে আমেরিকা। সকারের এই লড়াইকে রাজকীয় রূপ দিতে বোস্টনের দিগন্তরেখায় হাজির করা হয়েছিল এক নীল গোলককে – যা আসলে বিশ্বের বৃহত্তম ফুটবল। ইস্ট বোস্টনের পিয়ার্স পার্ক-২-এ পা রাখা যে কারোরই চোখ ছানাবড়া হয়ে গিয়েছিল সেই বল দেখে।


আসলে এই ফুটবল কত বড় তা বর্ণনা করতে গিয়ে 'বিশাল' শব্দটি হয়তো যৎসামান্যই মনে হবে। এই নীল গোলকটির ব্যাস ৪৭.৯ ফুট বা ১৪.৬১৮ মিটার। অর্থাৎ প্রায় পাঁচ তলা বাড়ির সমান। বর্তমানে এটিই পৃথিবীর বুকে মানুষের তৈরি সর্ববৃহৎ ফুটবল। এই অসাধ্য সাধনে ম্যাসাচুসেটস পোর্ট অথরিটি (ম্যাসপোর্ট)-এর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছে বিশ্বখ্যাত সাফোক কনস্ট্রাকশন এবং এইচএনটিবি কর্পোরেশন।


২০১৩ সালে কাতার বিশ্বকাপের উন্মাদনায় তৈরি হওয়া ৩৯.৯৮ ফুট ব্যাসের সেই ফুটবলটির কথা নিশ্চয়ই মনে আছে? দীর্ঘ এক দশক ধরে সেই রেকর্ডটি ছিল ধরাছোঁয়ার বাইরে। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ার মধ্যেই বোস্টন সেই আধিপত্য কেড়ে নিল। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির মাধ্যমে কাতারের সেই গৌরব এখন ম্যাসাচুসেটসের দখলে। এটি কেবল একটি আয়তনের লড়াই নয়, বরং ফুটবল সংস্কৃতির ক্ষমতার পালাবদলও বটে।

ফুটবলটি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৩৮৫ গজ ২২ আউন্স পিভিসি, যার আয়তন প্রায় ৭,৮৯২.৫ বর্গফুট। এছাড়া ব্যবহৃত হয়েছে ৪৯০ গজ পিইউ উপাদান, যার মোট আয়তন ৭,৩৫০ বর্গফুট। বিশাল আকারের এই কাঠামো নির্মাণে উন্নত প্রযুক্তি ও নকশার সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। তবে ভাবা হয়েছে পরিবেশের কথাও।প্রদর্শনীর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ফুটবলটি তৈরিতে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ পিভিসি এবং পলিইউরেথেন পুনর্ব্যবহার বা রিসাইকেল করার কথা বলা হয়।

তথ্যঃ ইউপিআই ডট কম

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code