খোশখবর ডেস্কঃ কিংবদন্তি ফটোসাংবাদিক রঘু রাই-এর প্রয়াণে ভারতীয় ফটোগ্রাফি জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হলো। তাঁর লেন্সে ধরা সময়, সমাজ ও ইতিহাস চিরকাল বেঁচে থাকবে। রঘু রাইকে আলাদা করে তোলে শুধু তাঁর তোলা ছবি নয়, বরং ফটোগ্রাফি সম্পর্কে তাঁর গভীর দৃষ্টিভঙ্গি। ১৯৪২ সালের ১৮ ডিসেম্বর অবিভক্ত পাঞ্জাবের ঝাং (বর্তমানে পাকিস্তানে)- এ জন্মগ্রহণ করেন রঘু রাই। পেশাগতভাবে তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে প্রশিক্ষিত হলেও ২৩ বছর বয়সে ফটোগ্রাফির জগতে প্রবেশ করেন। ১৯৬৬ সালে তিনি দ্য স্টেটসম্যান পত্রিকায় প্রধান আলোকচিত্রী হিসেবে যোগ দেন।
ষাটের দশকে বড় ভাই এস পল-এর কাছ থেকে একটি ক্যামেরা ধার নিয়েই তাঁর ফটোগ্রাফির যাত্রা শুরু— যা পরবর্তীতে তাঁকে নিয়ে যায় আন্তর্জাতিক মঞ্চে। তিনি যুক্ত হন ম্যাগনাম ফটোস-এর সঙ্গে এবং তাঁর ছবি স্থান পায় টাইম, লাইফ ও দ্য নিউ ইয়র্কার-এর মতো বিশ্বখ্যাত পত্রিকার পাতায়।
গুগলে আরও খোশখবর
বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি আলোকচিত্রী অঁরি কার্তিয়ে-ব্রেসোঁ-এর শিষ্য ছিলেন রঘু রাই। তাঁর ক্যামেরায় ধরা পড়েছে ভারতের আধুনিক ইতিহাসের বহু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যেমন ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ শরণার্থী সংকট এবং ১৯৮৪ সালের ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা কিংবা গঙ্গার ঘাটের নীরব মহিমা। মাদার তেরেসা, ইন্দিরা গান্ধী, দালাই লামা-সহ অসংখ্য ব্যক্তিত্ব এবং ভারতের অগণিত সাধারণ মানুষের জীবন তাঁর ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।
বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মিউজিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম কোনটা? সবচেয়ে বেশি স্পটিফাই শুনছে ভারত !
ফটোগ্রাফি সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল গভীর ও আলাদা। হিন্দুস্তান টাইমস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন যে, রঙিন ছবি অনেক সময় গভীরতা হারায়। রঙগুলো অতিরঞ্জিত হয়, বাস্তব নয়। রাইয়ের মতে, সাদা-কালো বেছে নেওয়া শুধু শৈলীর প্রশ্ন নয়, এটি এক ধরনের নৈতিক সিদ্ধান্তও। তাঁর বিশ্বাস ছিল, রঙ দর্শকের মনোযোগকে ছবির মূল সত্য থেকে সরিয়ে দিতে পারে।
ফটোগ্রাফি সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল গভীর ও আলাদা। হিন্দুস্তান টাইমস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন যে, রঙিন ছবি অনেক সময় গভীরতা হারায়। রঙগুলো অতিরঞ্জিত হয়, বাস্তব নয়। রাইয়ের মতে, সাদা-কালো বেছে নেওয়া শুধু শৈলীর প্রশ্ন নয়, এটি এক ধরনের নৈতিক সিদ্ধান্তও। তাঁর বিশ্বাস ছিল, রঙ দর্শকের মনোযোগকে ছবির মূল সত্য থেকে সরিয়ে দিতে পারে।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]
তথ্যঃ dailypioneer ও hindustantimes

0 মন্তব্যসমূহ