খোশখবর ডেস্কঃ ফুটবলকে সবসময়েই বলা হয় অনিশ্চয়তার খেলা। এই যুদ্ধে কোন সাম্রাজ্যের কখন পতন ও উত্থান হবে তা বলা সম্ভব নয়। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রথম থেকেই কেমন যেন মেসি সাম্রাজ্যের পতনের দেওয়াল লিখনটা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। এদিন অতিরিক্ত সময়ে বদলি খেলোয়াড় ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে উঠল স্পেন। আর সেরার সিংহাসন হাতছাড়া হওয়ায় হতাশা থেকে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের ও সমর্থকদের ক্ষোভও প্রকাশ্যে চলে আসে।
ফাইনালের আগে আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি এবং স্পেনের তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামাল। তবে দু'জনের কেউই ম্যাচে নিজেদের সেরাটা উপহার দিতে পারেননি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে ব্রাজিলের কিংবদন্তি কাফুর পর দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেললেও মেসি এদিন ছিলেন অনেকটাই নিষ্প্রভ। অন্যদিকে ইয়ামালও প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হন।রবিবার অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে দীর্ঘ ১০৫ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর ১০৬তম মিনিটে তোরেসের গোলেই নির্ধারিত হয় ম্যাচের ভাগ্য।
এই জয়ের মাধ্যমে স্পেন আবারও বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করল। একই সঙ্গে ৬৫ বছর বয়সে স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে বিশ্বকাপজয়ী সবচেয়ে বয়স্ক কোচ হিসেবে ইতিহাস গড়লেন। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের সেই একমাত্র গোল স্পেনকে এনে দিল বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি এবং বিশ্ব ফুটবলে নতুন যুগের সূচনা। বিশ্বকাপ ফাইনালের এই ম্যাচ হয়ত ফুটবল সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং কৌশলগত লড়াই এবং শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তার জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আর সেই নাটকের নায়ক শেষ দৃশ্যে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে যোগ দেওয়া ফেরান তোরেস, যার একমাত্র গোলেই স্পেন আবারও বিশ্ব ফুটবলের মুকুট জিতে নিল।
ফাইনালে চোখধাঁধানো আয়োজন থাকলেও তার কাছে ম্লান হয়ে গিয়েছিল ফুটবলের লড়াইটাই। ফাইনাল শুরুর আগে স্টেডিয়ামে ছিল বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। সঙ্গীত, আতশবাজি, আলোকসজ্জা ও বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের পরিবেশনায় জমে ওঠে পরিবেশ। হাফটাইম শোতেও দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন জনপ্রিয় তারকারা।
তথ্যঃ ডিডি নিউজ ও ইন্টারনেটে অনান্য সাইট

0 মন্তব্যসমূহ