খোশখবর ডেস্কঃ তারিখটা ছিল ১৯৪৭ সালের ২৪ জুন – বলা হয় ওই দিনেই মার্কিন পাইলট কেনেথ আর্নল্ড আকাশে একাধিক রহস্যময় উড়ন্ত বস্তুর (UFO) দেখা পেয়ে ছিলেন। তাঁর দাবি মতই সেটিই আমেরিকায় প্রথম বহুল চর্চিত ইউএফও দর্শনের ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। এরপর ওই বছরেই ২ জুলাই কুখ্যাত রোজওয়েল ইউএফও দুর্ঘটনায় কথিত মারা যাওয়া গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দেয়। কথিত অপহরণ এবং রহস্যময় উড়ন্ত বস্তুর অসংখ্য প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনাও ইউএফও চর্চাকে অন্যমাত্রা দেয়।
অজানা বা রহস্যময় উড়ন্ত বস্তুতে বিশ্বাসীরা মনে করেন, মহাবিশ্বে মানুষ একমাত্র বুদ্ধিমান প্রাণী নয়। তাঁদের বিশ্বাস, মহাবিশ্বে পৃথিবী ছাড়াও বুদ্ধিমান প্রাণের অস্তিত্ব থাকা সম্ভাব। তারাই সম্ভবত UFO চড়ে তাদের বহির্জাগতিক সভ্যতা বা পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ করে। তাই ইউএফও চর্চা অব্যাহত রাখতে রোজওয়েল ঘটনার ২ জুলাইকেই আনুষ্ঠানিক বিশ্ব ইউএফও দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে ওয়ার্ল্ড ইউএফও ডে অর্গানাইজেশন(WUFDO)।
তুরস্কের ইউএফও গবেষক হাকতান আকদোগান-এর উদ্যোগে ২০০১ সালে প্রথম বিশ্ব ইউএফও দিবস পালন করা হয় বলে তথ্য মিলেছে। আসলে বিশ্ব ইউএফও দিবস হল রহস্যময় উড়ন্ত বস্তুকে ঘিরে কৌতূহল, গবেষণা ও সচেতনতার দিন।
তবে অধিকাংশ বিজ্ঞানীই ইউএফও দর্শনের ব্যাখ্যা হিসেবে প্রাকৃতিক ঘটনা, বায়ুমণ্ডলীয় প্রভাব, সামরিক বা অসামরিক বিমান, ড্রোন কিংবা দেখার ভুলের কথা তুলে ধরেন। তবুও ইউএফও-র রহস্য আজও বিশ্বের কোটি মানুষের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ