একনজরে

10/recent/ticker-posts

SETI Arecibo 12 billion signals ‘সেটি’র রেডিও টেলিস্কোপে ১২০০ কোটির বেশি সিগন্যাল! সত্যিই ভিনগ্রহী কেউ কি আছেন?


খোশখবর ডেস্কঃ মানুষ যবে থেকে বুঝতে শিখল যে এই বিশ্বসংসারে তারা বুদ্ধিমান প্রানী তখনই ভাবনা শুরু হল যে পৃথিবীর বাইরে কী আরও ইন্টেলিজেন্ট কেউ আছে? বিশাল বিপুল মহাবিশ্বে ভিনগ্রহী বুদ্ধিমত্তার খোঁজে অনেককাল আগেই বিজ্ঞানীরা হাতে নেন সার্চ ফর এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ইন্টেলিজেন্স পোগ্রাম বা SETI।

গুগলে আরও খোশখবর  


এর লক্ষ্য ছিল রেডিও সংকেতের মাধ্যমে উন্নত ভিনগ্রহী সভ্যতার অস্তিত্ব খুঁজে বের করা। বিজ্ঞানীদের এই কাজে সঙ্গী হয় পুয়ের্তো রিকোর বিশাল রেডিও টেলিস্কোপ অ্যারেসিবো। ১৯৭৪ সালে কার্ল সেগান ও ফ্র্যাঙ্ক ড্রেক-সহ একদল বিজ্ঞানী অ্যারেসিবো থেকে একটি রেডিও বার্তা পাঠিয়েছিলেন মহাবিশ্বে।বাইনারি কোডে পাঠানো সেই বিখ্যাত ‘অ্যারেসিবো মেসেজ’-এ ছিল মানুষের স্টিক ফিগার, ডাবল-হেলিক্স ডিএনএ গঠন, কার্বন পরমাণুর মডেল ও একটি টেলিস্কোপের চিত্র।


এর পর ১৯৯৯ সালে শুরু হয় SETI@Home প্রকল্প। এতে অংশ নেন বিশ্বের লক্ষ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবক, তাদের বাড়ির কমপিউটারে দেওয়া হয় একটি বিনামূল্যের সফটওয়্যার। কাজ ছিল অ্যারেসিবো থেকে পাওয়া ডেটায় অস্বাভাবিক রেডিও সংকেত খুঁজে বের করা।


যদিও এখনও পর্যন্ত সেই বার্তার কোনও সঠিক উত্তর মেলেনি। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন মহাকাশে অগণিত রেডিও তরঙ্গ ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই মহাজাগতিক নয়েজের ভিড়ে সিগন্যালের খোঁজ পাওয়া খুব মুশকিল – যা অনেকটা খড়ের গাদায় সূচ খোঁজার মতো।

দেখুন 'খোশখবর' মিনি ভিডিও


কিন্তু কেবল বিকল হয়ে ২০২০ সালে অ্যারেসিবো টেলিস্কোপ ভেঙে যায়। তবু ধ্বংসপ্রাপ্ত অ্যারেসিবো টেলিস্কোপের ডেটায় মিলেছে ১২০০ কোটির বেশি ‘সিগন্যাল অব ইন্টারেস্ট’।

দেখে নিন এই ভিডিও


এই বিপুল সংখ্যক সংকেতের মধ্য থেকে গবেষকরা সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ১০০টি সিগন্যাল বেছে নিয়েছেন। এই সংকেতগুলিই খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে চিনের ফাইভ-হান্ড্রেড-মিটার অ্যাপারচার স্পেয়ারিক্যাল টেলিস্কোপ বা FAST দিয়ে—যা অ্যারেসিবোর পর বিশ্বের বৃহত্তম একক ডিশ রেডিও টেলিস্কোপ। খোঁজ চলছে ভিনগ্রহীরা কেউ কি কোনও সিগনাল পাঠিয়েছেন?

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code