গুগলে আরও খোশখবর
কষ্ট কল্পনা বলে মনে হলেও ধনী ও রোমাঞ্চপ্রিয় পর্যটকদের জন্য এবার সত্যিই খুলে যেতে চলেছে চাঁদে ছুটি কাটানোর দরজা। স্পেস ডট কম তাদের এক রিপোর্টে জানিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক একটি স্টার্টআপ সংস্থা চাঁদের বুকে গড়ে তুলতে চলেছে হোটেল। ২০৩২ সালের মধ্যে চালু হয়ে যাবে এই চন্দ্র হোটেল।
দেখে নিন এই ভিডিওটি
ইয়োর স্টোরি ডট কমের তথ্য অনুযায়ী এই উদ্যোগের ঘোষণা করেছে স্পেস টেক স্টার্টআপ গ্যালাকটিক রিসোর্স ইউটিলাইজেশন স্পেস বা জিআরইউ স্পেস। তারা বিশ্বের প্রথম চাঁদের হোটেল গড়ে তুলতে চায়। এই উদ্যোগে সংস্থাটি ওয়াই কম্বিনেটর–এর সাহায্য পেয়েছে এবং তা এনভিডিয়ার অ্যাক্সিলারেটর প্রোগ্রাম–এর অংশ।
২০২৫ সালে উদ্যোক্তা স্কাইলার চ্যান GRU Space প্রতিষ্ঠা করেন। সংস্থার অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্যটি হল এমন একটি চাঁদের হোটেল তৈরি করা যেখানে পর্যটকরা চাঁদ ও পৃথিবীর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগের সুযোগ পাবেন। জিআরইউ স্পেস ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে বসতি স্থাপনের পরিকাঠামো তৈরি করতে চায় ।
দেখুন আরও ভিডিও
পরিকল্পনা অনুযায়ী, হোটেলটি প্রথমে ইনফ্ল্যাটেবল হ্যাবিটাট মডিউল হিসেবে পৃথিবীতে তৈরি হবে এবং পরে একটি হেভি-লিফট ল্যান্ডার–এর মাধ্যমে চাঁদে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে একসঙ্গে সর্বোচ্চ চারজন অতিথি থাকার ব্যবস্থা থাকবে।
তবে চাঁদের হোটেলে যেতে খরচ কত? জিআরইউ ডট স্পেস তাদের সাইটে জানিয়েছে হোটেলের চূড়ান্ত মূল্য এখনও নির্ধারিত হয়নি, তবে তা সম্ভবত ১ কোটি ডলারেরও বেশি হতে পারে। এই হোটেলে যেতে হলে ১,০০০ ডলার অফেরত যোগ্য অ্যাপ্লিকেশন ফি –র সঙ্গে পছন্দের অপশনের উপর নির্ভর করে ২ লক্ষ ৫০ হাজার ডলার থেকে ১০ লক্ষ ডলার ডিপোজিট জমা দিতে হবে। ভারতীয় টাকায় যা ২.২ কোটি টাকা থেকে ৯ কোটি টাকা।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ