খোশখবর ডেস্কঃ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence-এর দ্রুত অগ্রগতি বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।সর্বগ্রাসী এই প্রযুক্তির সঙ্গে মানুষ কীভাবে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে সেই নিয়েই যখন দুশ্চিন্তা, তখনই সামনে এসে হাজির হয়েছে আর এক বিপদের গল্প। তা হল এ আই ডেটা সেন্টার সামলাতে পরিবেশগত সমস্যা।
দেখে নিন এই ভিডিওটি
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, এআই চালানোর জন্য ডেটা সেন্টারগুলোর কারণে আশপাশের এলাকায় অস্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যাকে বলা হচ্ছে ‘ডেটা-হিট-আইল্যান্ড’। এই নিয়ে এক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে আর্থ ডট কম।
বিশ্বজুড়ে এআই ব্যবহারের চাহিদা বাড়ায় দ্রুত বাড়ছে ডেটা সেন্টারের সংখ্যা। বিশাল আকারের এই সেন্টারগুলোয় হাজার হাজার কম্পিউটার সারাক্ষণ কাজ করে। ডেটা সেন্টারগুলিতে ব্যবহৃত বিপুল বিদ্যুৎ শক্তির একটি বড় অংশ তাপে রূপান্তরিত হয়। প্রচুর পরিমাণ জল ব্যবহার করেও ঠাণ্ডা রাখা সম্ভব হয়ে ওঠে না এই সেন্টার গুলো। সেই তাপ ওই সেটারের বাইরে ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের জমির তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আমেরিকার এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড এনার্জি স্টাডি ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী বড় বড় ডেটা সেন্টারগুলো প্রতি দিন প্রায় ১ কোটি ৯০ লক্ষ লিটার জল স্বাদু জল ব্যবহার করে। যা মোটামুটি ১ লক্ষ ২০ হাজার জনবসতির একটি শহরের ব্যবহারের সম পরিমাণ জল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই ডেটা সেন্টারগুলো শুধু জল নয়, প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎও ব্যবহার করে।পাশাপাশি প্রচুর কার্বনও নির্গত করে।
University of Cambridge-এর বিজ্ঞানীদের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, একটি ডেটা সেন্টার চালু হওয়ার পর আশপাশের জমির তাপমাত্রা গড়ে প্রায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়। কিছু ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি হতে পারে, যা একটি চিন্তার বিষয়।
এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি শুধু নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ নয়। গবেষণায় জানা গেছে, ডেটা সেন্টারের তাপের প্রভাব প্রায় ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনকি ৭ কিলোমিটার দূরেও এর প্রভাব অনুভূত হয়। গবেষণায় স্যাটেলাইটের মাধ্যমে গত ২০ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ জানাচ্ছে ডেটা সেন্টারের আশপাশের এলাকা ক্রমশ উষ্ণ হয়ে উঠছে। মেক্সিকো, স্পেন এবং ব্রাজিল -এর বিভিন্ন অঞ্চলে ইতিমধ্যেই এই পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।কাজেই শুধু চাকরির বাজার নয়, এবার পরিবেশ নিয়েও চিন্তা বাড়াচ্ছে এআই।
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, এআই চালানোর জন্য ডেটা সেন্টারগুলোর কারণে আশপাশের এলাকায় অস্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যাকে বলা হচ্ছে ‘ডেটা-হিট-আইল্যান্ড’। এই নিয়ে এক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে আর্থ ডট কম।
গুগলে আরও খোশখবর
বিশ্বজুড়ে এআই ব্যবহারের চাহিদা বাড়ায় দ্রুত বাড়ছে ডেটা সেন্টারের সংখ্যা। বিশাল আকারের এই সেন্টারগুলোয় হাজার হাজার কম্পিউটার সারাক্ষণ কাজ করে। ডেটা সেন্টারগুলিতে ব্যবহৃত বিপুল বিদ্যুৎ শক্তির একটি বড় অংশ তাপে রূপান্তরিত হয়। প্রচুর পরিমাণ জল ব্যবহার করেও ঠাণ্ডা রাখা সম্ভব হয়ে ওঠে না এই সেন্টার গুলো। সেই তাপ ওই সেটারের বাইরে ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের জমির তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আমেরিকার এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড এনার্জি স্টাডি ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী বড় বড় ডেটা সেন্টারগুলো প্রতি দিন প্রায় ১ কোটি ৯০ লক্ষ লিটার জল স্বাদু জল ব্যবহার করে। যা মোটামুটি ১ লক্ষ ২০ হাজার জনবসতির একটি শহরের ব্যবহারের সম পরিমাণ জল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই ডেটা সেন্টারগুলো শুধু জল নয়, প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎও ব্যবহার করে।পাশাপাশি প্রচুর কার্বনও নির্গত করে।
এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি শুধু নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ নয়। গবেষণায় জানা গেছে, ডেটা সেন্টারের তাপের প্রভাব প্রায় ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনকি ৭ কিলোমিটার দূরেও এর প্রভাব অনুভূত হয়। গবেষণায় স্যাটেলাইটের মাধ্যমে গত ২০ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ জানাচ্ছে ডেটা সেন্টারের আশপাশের এলাকা ক্রমশ উষ্ণ হয়ে উঠছে। মেক্সিকো, স্পেন এবং ব্রাজিল -এর বিভিন্ন অঞ্চলে ইতিমধ্যেই এই পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।কাজেই শুধু চাকরির বাজার নয়, এবার পরিবেশ নিয়েও চিন্তা বাড়াচ্ছে এআই।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]


0 মন্তব্যসমূহ