একনজরে

10/recent/ticker-posts

Chandrayaan-2 makes moon breakthrough চাঁদের নিচে বরফ! এবার বাস মানুষের! ভারতের চন্দ্রযান-২ র বড় সাফল্য


খোশখবর ডেস্কঃ চাঁদ সম্পর্কে এক যুগান্তকারী তথ্য সামনে এনে দিল ভারতের চন্দ্রযান-২ অভিযান। জানা যাচ্ছে ভারতের চন্দ্রযান ২ মিশনের তথ্য বিশ্লেষণ করে চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে মাটির নিচে বরফের অস্তিত্বের সম্ভাবনার নতুন প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ভারতের মহাকাশ দফতরের অধীন ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরির গবেষকরা এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেছেন।



ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ইসরো)র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এই তথ্য ভারতের চন্দ্র গবেষণা কর্মসূচিতে আরেকটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি চাঁদের রহস্যময় দক্ষিণ মেরু অঞ্চল নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

গুগলে আরও খোশখবর
 

২০১৯ সালে ইসরো চন্দ্রযান ২ কে মহাকাশে পাঠালেও তা চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল ভাবে অবতরণ করতে পারেনি। পরে চন্দ্রযান ৩ বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল ভাবে অবতরণ করে। তবে চন্দ্রযান ২ অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ হয়নি। এই মিশনে বৈজ্ঞানিক তথ্য জমা হয় ইসরোর কন্ট্রোল রুমে। বিজ্ঞানীরা তথ্য সম্প্রতি বিশ্লেষণ করে এই বরফের আভাস দিয়েছে।


এই গবেষণায় ব্যবহার করা হয়েছে চন্দ্রযান-২-এর অনবোর্ড ডুয়াল ফ্রিকোয়েন্সি সিন্থেটিক অ্যাপারচার রাডার (DFSAR)-এর সংগৃহীত তথ্য। বিশেষভাবে নজর দেওয়া হয়েছিল এমন সব গভীর ছায়াচ্ছন্ন গর্তের উপর, যেখানে সূর্যের আলো বা তাপ কখনও পৌঁছায় না।


সংবাদমাধ্যম ডেকান ক্রনিকল –এর রিপোর্ট অনুযায়ী নতুন গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণে জানা যাচ্ছে, চাঁদের মাটির নিচে জমাট বরফ বা হিমায়িত জলের ভাণ্ডার থাকতে পারে, বিশেষ করে যেসব অঞ্চল সবসময় ছায়াচ্ছন্ন বা যেখানে সূর্যের আলো পড়ে না।


এই আবিষ্কার ভবিষ্যতে চাঁদে মানুষের বসবাস করা এবং মহাকাশ অভিযানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ, চাঁদে জল থাকলে তা পানীয় জল, অক্সিজেন উৎপাদন এবং রকেট জ্বালানি তৈরির মতো বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হতে পারে।

গবেষকরা চাঁদের এমন চারটি গহ্বরে রাডারের বিশেষ সিগন্যাল শনাক্ত করেছেন, যা মাটির নিচে বরফের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর মধ্যে ফাউস্টিনি অঞ্চলের প্রায় ১.১ কিলোমিটার ব্যাসের একটি গহ্বরে চাপা বরফের জোরালো প্রমাণ মিলেছে। ভবিষ্যতে চাঁদে মানুষ পাঠানো বা সেখানে দীর্ঘ সময় অবস্থানের পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তথ্যঃ ইসরো ওয়েবসাইট, ডেকান ক্রনিকল

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code