একনজরে

10/recent/ticker-posts

Elon Musk 1st Trillionaire লাফিয়ে বাড়ছে স্পেসএক্স-এর শেয়ার, বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার ইলন মাস্ক


খোশখবর ডেস্কঃ নতুন ইতিহাস গড়ে ফেললেন বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি ইলন মাস্ক। শুক্রবার শেয়ারবাজারে তাঁর মহাকাশ প্রযুক্তি সংস্থা স্পেস-এক্স (SpaceX)-এর শেয়ারের দাম লাফিয়ে বাড়ার পর তাঁর মোট সম্পদের মূল্য এক ট্রিলিয়ন ডলারের গণ্ডি অতিক্রম করে গেছে। এই তথ্য দিয়েছে এনডিটিভি ডট কম। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে আমাজন কর্তা জেফ বেজোস ( Jeff Bezos)কে পিছনে ফেলে বিশ্বের শীর্ষ ধনীর আসনে উঠে আসেন মাস্ক।সে সময়ই টেসলার শেয়ারের দামের ব্যাপক উত্থানের ফলে তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৮৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল।


বর্তমানে মাস্কের সম্পদের বড় অংশই স্পেসএক্স এবং ইলেকট্রিক গাড়ির প্রতিষ্ঠান টেসলা ( Tesla)-র শেয়ারে বিনিয়োগ থেকে এসেছে। এছাড়াও মাস্ক নিউরোটেকনোলজি সংস্থা Neuralink এবং টানেল নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান The Boring Company-এরও মালিকানার অংশীদার। সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থা এক্স-এর মালিকানাও তাঁর হাতে।

সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী স্পেসএক্সের প্রাথমিক শেয়ার বিক্রির (IPO)-র সময় শেয়ারের মূল্য ছিল ১৩৫ ডলার। প্রথম দিনের লেনদেনেই তা ১১ শতাংশ বেড়ে ১৫০ ডলারে পৌঁছায় এবং পরে প্রায় ১৭২ ডলার পর্যন্ত উঠে যায়। এর ফলে সংস্থাটির বাজারমূল্য দাঁড়ায় প্রায় ২.১৮ ট্রিলিয়ন ডলার।

এত সম্পদের মালিক হলেও একদিন এই অর্থের গুরুত্বই পৃথিবীতে শেষ হয়ে যাবে বলে বিশ্বাস করেন ইলন মাস্ক। তাঁর মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানুষের মত যন্ত্র রোবট এতটাই উৎপাদনশীল হয়ে উঠবে যে অধিকাংশ কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হবে। ফলে চাকরি করা মানুষের জন্য বাধ্যতামূলক থাকবে না। মানুষ চাইলে কাজকে শখ হিসেবে নিতে পারবে এবং দারিদ্র্যও একসময় ইতিহাস হয়ে যেতে পারে।


বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মাস্কের লক্ষ্য হল বিভিন্ন গ্রহে মানুষের বসবাসের ঠিকানা তৈরি করা। সাধারণ মানুষকেও একদিন চাঁদ, মঙ্গল এবং তারও বাইরে নিয়ে যেতে চায় তাঁর সংস্থা স্পেসএক্স। তাঁর এই স্পেসএক্স-এর শেয়ার ছাড়ার প্রধান কারণ হল ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানব উপনিবেশ গড়ে তোলা ইত্যাদি পরিকল্পনার জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন।

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code