খোশখবর ডেস্কঃ বিজ্ঞানীদের হিসেব একসময় বিশাল এক গ্রহাণুর ধাক্কাতেই পৃথিবী থেকে লুপ্ত হয়ে গিয়েছেল শক্তিমান ডাইনোসরেরা। আজও সেই বিপদ থেকে মুক্ত নয় পৃথিবী। বেশকিছু গ্রহাণু ও ধূমকেতু, ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবীর কক্ষপথের খুব কাছে চলে আসে( Near-Earth Objects )। এগুলোই পৃথিবীর জন্য সম্ভাব্য বিপর্যয়ের হুমকি হিসেবে বিবেচিত হয়। নাসার সেন্টার ফর নিয়ার আর্থ অবজেক্ট স্টাডিস (CNEOS)-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৩৬ হাজারেরও বেশি পৃথিবীর খুব কাছের গ্রহাণু শনাক্ত করা হয়েছে।
বিজ্ঞানীদের ভাবাচ্ছে তুঙ্গুস্কা ও চেলিয়াবিনস্ক-এর ঘটনা
১৯০৮ সালের ৩০ জুন সাইবেরিয়ার তুঙ্গুস্কায় গ্রহাণু বিস্ফোরণ পৃথিবীর ইতিহাসে নথিভুক্ত সবচেয়ে বড় গ্রহাণু-সংঘর্ষের ঘটনা। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্ক শহরের আকাশে প্রায় ১৮ মিটার ব্যাসের একটি গ্রহাণু প্রবল বেগে ( ঘণ্টায় প্রায় ৬৭ হাজার কিলোমিটার) পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে বিস্ফোরিত হয়। এর শক্তি ছিল প্রায় ৪৪০ কিলোটন TNT-এর সমান, যা তুঙ্গুস্কার পর সবচেয়ে শক্তিশালী গ্রহাণু বিস্ফোরণ। এর পরেই গ্রহাণুর আঘাতের সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করা প্রয়োজন বলে মনে করা হয়।
১৯০৮ সালের ৩০ জুন সাইবেরিয়ার তুঙ্গুস্কায় গ্রহাণু বিস্ফোরণ পৃথিবীর ইতিহাসে নথিভুক্ত সবচেয়ে বড় গ্রহাণু-সংঘর্ষের ঘটনা। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্ক শহরের আকাশে প্রায় ১৮ মিটার ব্যাসের একটি গ্রহাণু প্রবল বেগে ( ঘণ্টায় প্রায় ৬৭ হাজার কিলোমিটার) পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে বিস্ফোরিত হয়। এর শক্তি ছিল প্রায় ৪৪০ কিলোটন TNT-এর সমান, যা তুঙ্গুস্কার পর সবচেয়ে শক্তিশালী গ্রহাণু বিস্ফোরণ। এর পরেই গ্রহাণুর আঘাতের সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করা প্রয়োজন বলে মনে করা হয়।
৩০ জুন আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস
পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে বেড়ানো গ্রহাণুর বিপদ সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করতে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদ (United Nations General Assembly) প্রস্তাব গ্রহণ করে।এই প্রস্তাবে প্রতি বছর ৩০ জুন-কে আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস (International Asteroid Day) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। রাষ্ট্রসঙ্ঘ ২০২৪ সালে ২০২৯ সালকে আন্তর্জাতিক গ্রহাণু সচেতনতা ও গ্রহ প্রতিরক্ষা বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করে।
২০২৯ সালে ধেয়ে আসছে বিশাল গ্রহাণু?
২০২৯ সালে ঘটতে চলেছে এক বিশাল ঘটনা। ১৩ এপ্রিল পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে অতিক্রম করবে ৯৯৯৪২ অ্যাপোফিস (99942 Apophis) নামের বিশাল গ্রহাণু। এটি পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩২ হাজার কিলোমিটার দূর দিয়ে নিরাপদে অতিক্রম করবে। তবে বিজ্ঞানীদের হিসেব এটি পৃথিবীর জন্য কোনও হুমকি হবে না । পৃথিবীর এত কাছ দিয়ে যাওয়ার ফলে পরিষ্কার রাতের আকাশে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ খালি চোখেই গ্রহাণুটিকে দেখতে পারবেন।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]


0 মন্তব্যসমূহ