খোশখবর ডেস্কঃ কথায় বলে গরীবের একটা সাইকেল থাকলেই যথেষ্ট। আর্থিক দিক থেকে সাইকেল অত্যন্ত লাভজনক। জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ ও বিমার খরচ না থাকায় এটি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ক্ষেত্রে পরিবহনের সাশ্রয়ী ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়। সাইকেল একটি সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব পরিবহন মাধ্যম। স্কুটার মোটরগাড়ির মতো এটি কোনো কার্বন নিঃসরণ করে না। ফলে বায়ুদূষণ কমাতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সাইকেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
নিয়মিত হাঁটা, সাইকেল চালানো বা খেলাধুলা—স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর মতে, নিরাপদ হাঁটা ও সাইকেল চালানোর পরিকাঠামো সুস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠার অন্যতম উপায়। শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অনেকেরই ব্যক্তিগত যানবাহন কেনার সামর্থ্য নেই। তাদের জন্য হাঁটা ও সাইকেল চালানো একটি কার্যকর পরিবহন ব্যবস্থা, যা হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিছু ধরনের ক্যানসার, ডায়াবেটিস এবং অকালমৃত্যুর বিপদ কমাতে সাহায্য করে।
ফি বছর ৩রা জুন বিশ্ব সাইকেল দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সাইকেল শুধু একটি যানবাহন নয়, এটি স্বাস্থ্যকর, সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
২০২২ সালের ১৫ মার্চ রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদ স্থায়ী উন্নয়নের স্বার্থে গণপরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে সাইকেল ব্যবহারের সমন্বয় সম্পর্কিত একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে। এতে বলা হয়, সাইকেল টেকসই পরিবহনের একটি কার্যকর উপকরণ এবং এটি জলবায়ুর ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসা সাইকেলের স্বাতন্ত্র্য, দীর্ঘস্থায়িত্ব ও বহুমুখী উপযোগিতা বিবেচনায় নিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ৩ জুনকে বিশ্ব সাইকেল দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ