একনজরে

10/recent/ticker-posts

Insect species on Earth পৃথিবীতে কত রকমের পোকামাকড় আছে জানেন? নতুন গবেষণায় অবাক বিজ্ঞানীরাও

 

খোশখবর ডেস্কঃ আজও পৃথিবীর অনেকে কিছুই অজানা থেকে গেছে আমাদের কাছে। সমুদ্রের গভীর বা বনাঞ্চলে এমন অনেক জায়গা থেকে গেছে যেখানে এখনও পৌঁছোতে পারে নি মানুষ। ফলে গাছপালা থেকে জীবকুলের এক বিরাট অংশ এখনও থেকে গেছে অচেনার তালিকায়। সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা যাচ্ছে পৃথিবীতে মোট পোকামাকড়ের প্রজাতির সংখ্যা আমাদের ধারণার চেয়ে তিন গুণ বেশি হতে পারে। অর্থাৎ আমরা তাদের চিনিই না বা দেখিই নি।


প্রায় ৪০ বছর ধরে বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল আমাদের পৃথিবীর পোকামাকড়ের মোটামুটি ছয় মিলিয়ন প্রজাতি আছে। একটি নতুন গবেষণা এখন বলছে, পোকামাকড়ের প্রজাতির সংখ্যা আমাদের ধারণার চেয়ে তিন গুণ বেশি বা ১৪ থেকে ২০ মিলিয়ন হতে পারে। আসলে বেশিরভাগ পোকামাকড়ের প্রজাতির এখনও নামই জানা নেই। বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত প্রায় ১.২ মিলিয়ন বা ১২ লক্ষ প্রজাতির আনুষ্ঠানিক নামকরণ করেছেন ।

ঠিক কীভাবে জানা গেল বিষয়টি? কোস্টারিকার গুয়ানাকাস্তে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে (ACG) ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে সংগৃহীত নমুনার ভিত্তিতে এই পোকামাকড়ের প্রজাতির সংখ্যাটা অনুমান করছেন জীববিজ্ঞানীরা । মূলত মাইক্রোগাস্ট্রিনি নামের এক ধরনের পরজীবী বোলতার ওপর গবেষণা চালিয়ে তারা অজানা প্রজাতির হার নির্ণয় করেন। এরপর সেই অনুপাত ব্যবহার করে গোটা বন এবং শেষ পর্যন্ত সারা পৃথিবীর পোকামাকড়ের সংখ্যা অনুমান করছেন তাঁরা। গুয়ানাকাস্তে সংরক্ষিত এলাকা (এসি‌জি) বনে প্রায় ৩,৩৩,০০০ প্রজাতির পোকা থাকার সম্ভাবনা। এই বনে যত গাছ আছে, সারা পৃথিবীতে তার তুলনায় কত গাছ—সেই অনুপাতে গুণ করে হিসাব করা হয়েছে। আর্থ ডট কম- এ প্রকাশিত হয়েছে এই রিপোর্ট।


তবে বড় আশঙ্কার কথাও শুনিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে পরিবেশের কারণে পোকামাকড়ের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে। কিন্তু যেহেতু অনেক প্রজাতিকে আমরা জানিই না বা চিনিই না ফলে তাদের বিলুপ্তি টেরও পাচ্ছি না। প্রজাতি চিনতে না পারলে তাদের রক্ষা করাও সম্ভব নয়। এই রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে ‘প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস’ বা জার্নালে।

তথ্যঃ আর্থ ডট কম

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]  

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code