ভারতের জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে চিকিৎসকদের অসামান্য অবদানকে সম্মান জানাতেই ১ জুলাই, ভারতে পালিত হয় জাতীয় চিকিৎসক দিবস (National Doctors' Day)। এই দিনটি উৎসর্গ করা হয়েছে কিংবদন্তি চিকিৎসক ড. বিধানচন্দ্র রায়-এর স্মৃতির উদ্দেশে। তাই তাঁর জন্ম ও মৃত্যু উভয়ই ১ জুলাই হওয়ায় তা এই বিশেষ দিনে পালন করা হয়। ভারতে প্রথম জাতীয় চিকিৎসক দিবস পালিত হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই।
বিধানচন্দ্র রায়কে পশ্চিমবঙ্গের রূপকার বলা হয়। একটি তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে যখন তিনি মুখ্যমন্ত্রী হলেন, চিকিৎসক হিসাবে তাঁর মাসিক গড় আয় ছিল ৪২০০০ টাকা। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তিনি নিজের মাসিক বেতন ঠিক করলেন ১৪০০ টাকা। তিনি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরও প্রতিদিন বিনা পয়সায় রোগী দেখতেন।তিনি ছিলেন মহাত্মা গান্ধী-র ব্যক্তিগত চিকিৎসকও। তিনি ১৯৪৮ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত টানা ১৪ বছর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ভারতরত্ন প্রদান করা হয়। চিকিৎসা ও জনসেবায় তাঁর অবদান আজও কোটি মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।
জাতীয় চিকিৎসক দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজে চিকিৎসকদের অবদানকে যথাযোগ্য সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়া। এই দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় চিকিৎসকদের সম্মান জানানো শুধু একটি দিনের আনুষ্ঠানিকতা নয়; তাঁদের নিরাপত্তা, মানসিক সুস্থতা এবং কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাও সমাজের সমান গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ