একনজরে

10/recent/ticker-posts

Asteroid Impact Exercise গ্রহাণুর ধাক্কাতেই বিপদ পৃথিবীর? রুখে দেওয়ার প্রস্তুতি নাসার!

খোশখবর ডেস্কঃ আমাদের এই ধরিত্রীর মানবকুল বা প্রাণীজগৎ চিরকাল টিকে থাকবে তো? একদিকে মাত্রাতিরিক্ত দূষণ,বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে পরিবেশ বিপর্যয় অন্যদিকে হিংসায় উন্মত্ত পৃথিবীর পরমাণু যুদ্ধের শঙ্কা – সব মিলিয়ে ধ্বংসের দেওয়াল লিখন খুব একটা অস্পষ্ট নয়।এরই পাশাপাশি আরও এক কারণে পৃথিবীর জীবকুলে বিপর্যয় ঘনিয়ে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।তা হল গ্রহাণুর সঙ্গে আমাদের গ্রহ পৃথিবীর সংঘর্ষ।

Nancy Grace Roman Space Telescope সৃষ্টি রহস্যের খোঁজ, জেমস ওয়েবের পর মহাকাশে আরও আধুনিক টেলিস্কোপ পাঠাবে নাসা।

বিজ্ঞানীদের হিসেব মত সৌরজগতের সৃষ্টির সময়েই তৈরি হয়েছে ছোট-বড় নানা আকারের গ্রহাণু বা অ্যাসস্ট্রয়েডস।মঙ্গল ও বৃহস্পতির কক্ষপথের মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে প্রচুর গ্রহাণু যাকে বলে গ্রহাণু বেষ্টনী।প্রচুর গ্রহাণু প্রবল গতিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে পৃথিবীর আশেপাশেও।সংখ্যাটা সুনির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব না হলেও বিজ্ঞানীদের ধারণা পৃথিবীর নিকটবর্তী গ্রহাণুর সংখ্যা ১০ হাজার থেকে ১০লক্ষ পর্যন্ত হতে পারে। যখন তখন এগুলোর ধাক্কাই বারোটা বাজিয়ে দিতে পারে পৃথিবীর।



বিজ্ঞানীদের এরকম শঙ্কার কারণ ডাইনোসরদের বিলুপ্তি।বিজ্ঞানীদের অনুমান আজ থেকে ‘সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে প্রবল বেগে ছুটে আসা এক গ্রহাণুর সঙ্গে ধাক্কাতেই বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল পৃথিবীর এই অতিকায় শক্তিমান প্রাণীকুল। ফলে বিষয়টা হেলাফেলার নয় মোটেই।আর হেলাফেলা দূরের কথা মানবপ্রজাতির জন্য অ্যাসস্ট্রয়েডসের ধাক্কা এতটাই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে যে আলাদা করে ‘ডার্ট’ মিশন হাতে নিতে হয়েছে নাসাকে।

শুধু ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

https://www.youtube.com/shorts/gDWUrhBb82A


সদ্য মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার এক অনুশীলনে আগে থেকে খোঁজ না পাওয়া গ্রহাণুর কথা উঠে এসেছে।সম্ভাব্য ‘বিপজ্জনক’ গ্রহাণুরটির পৃথিবীতে আঘাত হানার সম্ভাবনা ৭২ শতাংশ।৬০ থেকে ৮০০ মিটার আকারের গ্রহাণুটি মেক্সিকো ও ভার্জিনিয়ার পশ্চিম উপকূল বা পর্তুগাল ও সৌদি আরবের মধ্যবর্তী যেকোনো স্থানে আঘাত হানতে পারে। একে প্রতিহত করার মতো পর্যাপ্ত প্রস্তুতি এখনও হাতে নেওয়া হয় নি।এনডিটিভি ডট কম-এ এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।


Nutritional Powerhouse Banana কলাকে বলা হয় পুষ্টির পাওয়ার হাউস, এখনই জেনে নিন এর বিপুল উপকারিতা।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে ডবল অ্যাস্টেরয়েড রিডায়রেকশন টেস্ট বা DART এর মাধ্যমে ডাইমরফাস ও ডিডিমস নামের দুটি গ্রহাণুর গতিপথ বা কক্ষপথ সামান্য পরিবর্তন করে দিয়েছিল নাসা। এজন্য পৃথিবী থেকে পাঠানো হয়েছিল রকেট।



নাসার তরফে বলা হয়েছে ২০৩৮ সালের ১২ জুলাই এই গ্রহাণু পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়তে পারে। অর্থাৎ সম্ভাব্য ‘বিপজ্জনক’ গ্রহাণুরটিকে কীভাবে প্রতিরোধ সম্ভব তা নিয়ে বিশ্লেষণ করার জন্য হাতে রয়েছে ১৪ বছরের কিছুটা বেশি সময়। এর মধ্যেই NASA নতুন নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট সার্ভেয়ার মিশন নিয়ে এগিয়ে চলেছে বলে তথ্য দিয়েছে আইএফএল সায়েন্স। নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট সার্ভেয়ার মিশন হল একটি ইনফ্রারেড টেলিস্কোপ যার লক্ষ্য সেই বিপজ্জনক গ্রহাণুগুলি খুঁজে বের করা যা আমাদের গ্রহের জন্য বিপজ্জনক৷ ২০২৮ সালের জুন মাসে কাজ শুরু করে দেবে সেটি।


তবে এর মধ্যেই হাজির হয়ে যেতে পারে আরও বিপদ। সেই চ্যালেজিং পরিস্থিতি বিবেচনা করে কীভাবে পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, সেই বিষয়গুলো এখন গুরুত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ করছেন বিজ্ঞানীরা।

[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ