গুগলে আরও 'খোশখবর'
গোটা পৃথিবীর ডিজিটাল ইতিহাসে এক আশ্চর্য সংযোজন এই ‘ইউটিউব’ – যা পালটে দিয়েছে গোটা দুনিয়া। একটা সময় ‘read-only’ ওয়েব থেকে বিশ্ব পা রাখে মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টে। ঠিক তখনই এই শতাব্দীর একেবারে প্রথম ভাগে যাত্রা শুরু করে ‘ইউটিউব’ নামক সব পেয়েছির দুনিয়া। যদিও তখন তা গুগল কিনে নেয় নি।
চ্যাড হারলি, স্টিভেন চেন ও জাভেদ করিম ২০০৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ইউটিউব ডটকম তৈরি করেন। যদিও যাত্রার শুরুটা ছিল খুব সাধারণ, সাদামাটা। সহ-প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ করিম সে বছরেরই ২৩ এপ্রিল আপলোড করেন মাত্র ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও — যার শিরোনাম ছিল ‘মি অ্যাট দ্য জু’। এইরকম ব্যক্তিগত ডিজিটাল কনটেন্ট যে বিপ্লব আনতে পারে তা ভেবেই ২০০৬ সালের ৯ অক্টোবর ১৬৫ কোটি মার্কিন ডলারে টেক জায়ান্ট গুগল ‘ইউটিউব’ কিনে নেয়। এরপর গোটাটাই ইতিহাস।
https://www.khoshkhobor.in/2026/02/worlds-population-and-social-media.html
কিন্তু সেই প্রথম ভিডিওর কী হল? মজার বিষয় হল ভিডিওটির বিষয়বস্তু যতই সরল হোক, সেটি এখনও পর্যন্ত ৩৮২ মিলিয়নেরও বেশি বার দেখা হয়েছে এবং পেয়েছে ১৮ মিলিয়নের বেশি লাইক। ডিজিটাল কনটেন্ট বিপ্লবের সূচনা করে দেওয়া ওই ভিডিও ক্লিপটির অসামান্য ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথা মাথায় রেখেই তা স্থান পেয়েছে জাদুঘরে। লন্ডনের বিখ্যাত Victoria and Albert Museum–এ।
কিন্তু সেই প্রথম ভিডিওর কী হল? মজার বিষয় হল ভিডিওটির বিষয়বস্তু যতই সরল হোক, সেটি এখনও পর্যন্ত ৩৮২ মিলিয়নেরও বেশি বার দেখা হয়েছে এবং পেয়েছে ১৮ মিলিয়নের বেশি লাইক। ডিজিটাল কনটেন্ট বিপ্লবের সূচনা করে দেওয়া ওই ভিডিও ক্লিপটির অসামান্য ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথা মাথায় রেখেই তা স্থান পেয়েছে জাদুঘরে। লন্ডনের বিখ্যাত Victoria and Albert Museum–এ।
এটি প্রদর্শিত হচ্ছে মিউজিয়ামের Design 1900-Now gallery–তে, যেখানে ১৯০০ সালের পর থেকে প্রযুক্তি, শিল্প ও নকশার বিবর্তন তুলে ধরা হচ্ছে। শুরুর প্রাথমিক কাজগুলোই কী ভাবে পৃথিবীর অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোকে প্রভাবিত করেছে, এই প্রদর্শনী তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ