খোশখবর ডেস্কঃ আপনি কী জানেন আজকের পৃথিবীর মত ক্রমশ বেড়ে চলা তাপমাত্রাই একদিন মানুষসহ সব স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিলুপ্তির কারণ হতে পারে। আর এর পিছনে থাকবে প্যানজিয়া আল্টিমা বা প্যানজিয়া প্রক্সিমা নামের সম্ভাব্য এক অতিমহাদেশের বড় ভূমিকা। নতুন এক গবেষণায় শক্তিশালী জলবায়ু মডেল ব্যবহার করে এমনটাই দেখিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। Nature Geoscience-এ প্রকাশিত এক রিপোর্টের উল্লেখ করে এই তথ্য দিয়েছে আর্থ সায়েন্স ডট কম।
পৃথিবীর ইতিহাসে একাধিক গণবিলুপ্তি বা প্রজাতি মুছে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আর প্রতিবারই জলবায়ু পরিবর্তন তাতে বড় ভূমিকা রেখেছে।এবারও পরিবেশ ও উষ্ণায়ন নিয়ে মানুষ সচেতন না হলে আগামী দিনে অতি দ্রুত নিশ্চিহ্ন যাবে পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রজাতি মানুষই।
গুগলে আরও 'খোশখবর'
ভূতত্ত্ববিদদের মতে, পৃথিবীর মহাদেশগুলো ধীরে ধীরে সরে চলেছে। ২৫০ মিলিয়ন বা প্রায় ২৫ কোটি বছর পরে এগুলো একত্রিত হয়ে একটি বিশাল স্থলভাগ গঠন করতে পারে, যার নাম দেওয়া হয়েছে সুপারকন্টিনেন্ট প্যানজিয়া আল্টিমা ।
https://www.khoshkhobor.in/2026/02/longest-snake-species-from-india.html
এমন পরিস্থিতিতে এই বিশাল অতিমহাদেশের অধিকাংশ অঞ্চল থেকেই সমুদ্র থাকবে অনেক দূরে। মহাসাগরের শীতল প্রভাব থেকে দূরে থাকায় অধিকাংশ এলাকা অস্বাভাবিক গরম ও শুষ্ক হয়ে উঠবে।
বিজ্ঞানী ড. ফার্নসওয়ার্থের ভাষায় ওই নতুন সুপারকন্টিনেন্টে একসঙ্গে তিনটি মারাত্মক প্রভাব কাজ করবে। সেগুলি হল মাটির তাপ বেড়ে যাওয়া, সময়ের সঙ্গে সূর্যের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি এবং অগ্ন্যুৎপাতের জেরে পৃথিবীর বুকে কার্বন ডাই অক্সাইডের বৃদ্ধি। বিজ্ঞানীদের অনুমান এর ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে, এমনকি কিছু অঞ্চলে ৭০ ডিগ্রি পর্যন্তও উঠতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে এই বিশাল অতিমহাদেশের অধিকাংশ অঞ্চল থেকেই সমুদ্র থাকবে অনেক দূরে। মহাসাগরের শীতল প্রভাব থেকে দূরে থাকায় অধিকাংশ এলাকা অস্বাভাবিক গরম ও শুষ্ক হয়ে উঠবে।
বিজ্ঞানী ড. ফার্নসওয়ার্থের ভাষায় ওই নতুন সুপারকন্টিনেন্টে একসঙ্গে তিনটি মারাত্মক প্রভাব কাজ করবে। সেগুলি হল মাটির তাপ বেড়ে যাওয়া, সময়ের সঙ্গে সূর্যের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি এবং অগ্ন্যুৎপাতের জেরে পৃথিবীর বুকে কার্বন ডাই অক্সাইডের বৃদ্ধি। বিজ্ঞানীদের অনুমান এর ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে, এমনকি কিছু অঞ্চলে ৭০ ডিগ্রি পর্যন্তও উঠতে পারে।
জলের অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করবে। এই অবস্থায় মানুষসহ বহু প্রজাতিই ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা রাখতে ব্যর্থ হবে। স্তন্যপায়ী প্রাণীরা অতীতে শীতল আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারলেও দীর্ঘস্থায়ী চরম তাপ থেকে রক্ষা পাওয়া কঠিন। উদ্ভিদ কমে গেলে খাদ্য সংকট বাড়বে। গবেষণায় দেখা গেছে, ভবিষ্যতের সুপারকন্টিনেন্টে মাত্র ৮% থেকে ১৬% জমি বাসযোগ্য থাকতে পারে।
এই সম্ভাব্য বিপর্যয় আপাতদৃষ্টিতে খুব দূরের মনে হলেও, বার্তাটি স্পষ্ট— আজকের জলবায়ু সংকট মোকাবিলাই ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে বাস্তব ও জরুরি কাজ।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ