খোশখবর ডেস্কঃ অন্ধকারই জাগাবে ভবিষ্যতে ভাল থাকার আশার আলো। উন্নয়নের নামে পৃথিবী এখন শহরমুখী। চারিদিকে শুধু আলো আর আলো। আর এই আলো জ্বালাতে খরচ হয় প্রকৃতির প্রচুর সম্পদ। প্রকৃতিকে বাঁচানোর লক্ষ্যেই ফি বছর পালিত হয় আর্থ আওয়ার। এটা একটা গোটা বিশ্বজুড়ে হওয়া প্রচারাভিযান, যেখানে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় আলো নিভিয়ে অংশগ্রহণ করেন।
২০০৭ সালে একটি সাধারণ প্রতীকী ‘লাইট অফ’ কর্মসূচি হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়। এই বিশ্বব্যাপী গণআন্দোলনের আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচার (World Wide Fund for Nature) বা WWF। এর মূল উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রকৃতির ক্ষয় নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং মানুষকে প্রতি বছরের মার্চ মাসের শেষ শনিবার এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় আলো নিভিয়ে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা।
গুগলে আরও খোশখবর
WWF-এর ‘আর্থ আওয়ার’ (Earth Hour) আজ বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম গণআন্দোলন। এই উদ্যোগে ১৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষ ও প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় আলো নিভিয়ে প্রতীকীভাবে পরিবেশ রক্ষার বার্তা দেন। তবে শুধু আলো নিভিয়েই নয়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষকে পরিবেশবান্ধব নানা কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে সচেতন করা হয়।
এবছর ২০২৬ সালে এই ‘সুইচ অফ’ বা ‘আর্থ আওয়ার’ (Earth Hour) কর্মসূচি পালিত হচ্ছে শনিবার, ২৮ মার্চ—রাত ৮টা ৩০ মিনিট থেকে ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। তবে এবারের আয়োজন আরও বিশেষ, কারণ এ বছর ‘আর্থ আওয়ার’-এর ২০ বছর পূর্তি উদযাপিত হচ্ছে।
এবছর ২০২৬ সালে এই ‘সুইচ অফ’ বা ‘আর্থ আওয়ার’ (Earth Hour) কর্মসূচি পালিত হচ্ছে শনিবার, ২৮ মার্চ—রাত ৮টা ৩০ মিনিট থেকে ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। তবে এবারের আয়োজন আরও বিশেষ, কারণ এ বছর ‘আর্থ আওয়ার’-এর ২০ বছর পূর্তি উদযাপিত হচ্ছে।
২০০৭ সালে Australia-তে প্রথমবার ‘লাইট অফ’ আন্দোলন হিসেবে শুরু হয় ‘আর্থ আওয়ার’। ২০০৯ সাল থেকে ভারতে প্রতিবছরই ‘আর্থ আওয়ার’-এর প্রভাব কার্যকলাপ আরও বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী ভবন, স্মৃতিস্তম্ভ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়িক সংস্থা এবং সাধারণ মানুষ একযোগে এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়। ভারতে WWF-India বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষকে যুক্ত করেছে—যেমন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, প্রকৃতি ভ্রমণ, সাইকেল র্যালি, ওয়াকাথন, সিটিজেন সায়েন্স ক্যাম্পেন ইত্যাদি।
ফিবছরই দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংস্থা এই কর্মসূচিকে নিঃশর্ত সমর্থন জানায়। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল মাধ্যমের বিস্তারের ফলে ‘আর্থ আওয়ার’-এর প্রতি মানুষের আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বহুগুণ বেড়েছে। শুধু আলো নিভানোই নয়, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা বাড়ানো এবং প্রকৃতি সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা।
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ