একনজরে

10/recent/ticker-posts

45 planets and alien life ভিনগ্রহে প্রাণের খোঁজ! জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের নজরে ৪৫ এক্সোপ্ল্যানেট

খোশখবর ডেস্কঃ এই মহাবিশ্বে আমরা একা নই – পৃথিবীর মতই অন্য কোনও না কোনও গ্রহে আছে প্রাণের অস্তিত্ব—বিজ্ঞান ও কল্পনার এই চিরন্তন প্রশ্নকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণা। সদ্য একদল গবেষক এমন ৪৫টি গ্রহের তালিকা প্রকাশ করেছেন, যেখানে প্রাণের সম্ভাবনা থাকতে পারে।

দেখে নিন এই ভিডিওটি 


ভিনগ্রহে প্রাণের সন্ধান—এই প্রশ্ন বহুদিন ধরেই বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু। সেটি বা সার্চ ফর এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ইন্টেলিজেন্স সহ নানা গবেষণায় বিজ্ঞানীরা আমাদের সৌরজগতের বাইরে ৬,০০০-এরও বেশি এক্সোপ্ল্যানেট বা ভিনগ্রহ আবিষ্কার করেছেন।তবে এদের মধ্যেও খুব অল্প সংখ্যক গ্রহই উন্নত প্রানীর বসবাসের উপযোগী হতে পারে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

গুগলে আরও  খোশখবর
 

বিজ্ঞানের অগ্রগতি এখন আমাদের এমন গ্রহের খোঁজে অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে। ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ মান্থলি নোটিশস অফ টি রয়েল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি -তে প্রকাশিত এক গবেষণায় কর্নেল ইউনিভার্সিটি কার্ল সাগান ইনস্টিটিউট -এর বিজ্ঞানীরা ৪৫টি এমন গ্রহের তালিকা তৈরি করেছেন।এই তথ্য দিয়েছে পপুলার সায়েন্স ডট কম।


গবেষণা অনুযায়ী, এই ৪৫টি পাথুরে গ্রহ তাদের নিজ নিজ নক্ষত্রের বাসযোগ্য অঞ্চল বা Habitable Zone –এ অবস্থিত যেখানে তরল জলের অস্তিত্ব থাকতে পারে। এই তালিকার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত গ্রহগুলির একটি হল Proxima Centauri b, যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে। এছাড়া আছে টেরাপিস্ট-১ সিস্টেম -এর চারটি গ্রহ।

তবে সমস্যা হলো দূরত্ব। আলো যেখানে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১,৮৬,০০০ মাইল গতিতে চলে, সেখানে মানুষের তৈরি দ্রুততম যান Apollo 10-এর গতি ছিল ঘণ্টায় মাত্র ২৪,৭৯১ মাইল। ফলে বর্তমান প্রযুক্তিতে নিকটতম এই গ্রহে পৌঁছাতে মানুষের সময় লাগতে পারে প্রায় ১ লক্ষ ১৪ হাজার বছর।


কোনওভাবে এই দূরত্বের বাধা কাটিয়ে উঠতে পারলেই অন্যমাত্রা পাবে ভিনগ্রহে প্রাণের সন্ধান। হাবল স্পেস টেলিস্কোপ, জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এবং ২০২৭ সালে উৎক্ষেপণ হতে চলা ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ এই গ্রহগুলিকে আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে চলবে।

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code